সৌদি আরামকোর তেল পরিশোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, আগুন দ্রুত নেভিয়ে ফেলা হয়েছে। এই ঘটনার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, তারা এই হামলা চালিয়েছে।
ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উৎপাদনে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না। হুথিদের পক্ষ থেকে আরও হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এই পরিস্থিতির মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাদের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি কোনো আলোচনায় বসেনি। তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা বিনিময় চলছে। এই বার্তাগুলোর বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে এই উত্তেজনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। সৌদি সরকার ঘটনাটিকে নাশকতা হিসেবে দেখছে বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে।
তেলের বাজারে এর প্রভাব নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও আরামকো বলছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তারা সক্ষম হবে। গত কয়েক মাস ধরেই লোহিত সাগর অঞ্চলে হুথিদের হামলা বেড়েছে। এই অঞ্চল দিয়ে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করে।




