কাজের জায়গায় আনন্দকে সাধারণ একটি বিষয় হিসেবে না দেখে বর্তমানে সেটিকে একটি কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আনন্দ একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয় স্থির ও চিন্তাশীল মুহূর্তগুলোর মাধ্যমে। এই মুহূর্তগুলোই কর্মীদের মনে করিয়ে দেয় যে পেশাগত জীবন একইসঙ্গে কঠিন, অর্থবহ ও শক্তিদায়ক হতে পারে। ব্যবসায়িক নেতৃত্ব এখন বুঝতে পেরেছেন যে শুধুমাত্র বেতন-বোনাস বা সুযোগ-সুবিধা নয়, বরং কাজের পরিবেশে ইতিবাচক আবহ তৈরি করাও অত্যন্ত জরুরি। এই ইতিবাচক আবহ তৈরি করতে দরকার সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ছোট ছোট সাফল্য উদযাপন এবং কাজের প্রতি ভালোবাসা। প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতিতে আনন্দের স্থান নিশ্চিত করা হলে তা যেমন কর্মীর উৎপাদনশীলতা বাড়ায়, তেমনই প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাঁদের আনুগত্য ও সৃজনশীলতাও বৃদ্ধি পায়। তাই আনন্দকে শুধু একটি ব্যক্তিগত অনুভূতি হিসেবে না দেখে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কৌশলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।