সুদানে চলমান যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে আরও একটি নীরব সংকট দেখা দিয়েছে — ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া অসংখ্য শিশু কোনো আইনি অস্তিত্ব ছাড়াই বেড়ে উঠছে। এই শিশুরা জন্মসনদ পেতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা তাদের সারা জীবনের জন্য নানা জটিলতার দরজা খুলে দিচ্ছে। জন্মনিবন্ধন না থাকায় তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু একটি প্রশাসনিক সমস্যা নয় বরং একটি গভীর মানবিক ও আইনি সংকট যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ায় এই শিশুদের কেউ চিহ্নিত করতে পারছে না। ধর্ষণের শিকার নারীদের সামাজিক কলঙ্ক ও ভয়ের কারণে তারা প্রায়শই সাহায্য চাইতে পারেন না, যার ফলে নবজাতকদের নিবন্ধন আরও কঠিন হয়ে পড়ে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ সতর্ক করেছে যে, সঠিক নথি ছাড়া এই শিশুরা মানব পাচার, বাল্যবিবাহ এবং অন্যান্য শোষণের ঝুঁকিতে পড়বে। সুদানের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে এই সমস্যা সবচেয়ে প্রকট, যেখানে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার কারণে সরকারি সেবাগুলো প্রায় অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।
যুদ্ধের মাঝে জন্মানো সুদানের শিশুরা পাচ্ছে না আইনি পরিচয়
সুদানে সংঘাতের সময় ধর্ষণের শিকার হয়ে জন্ম নেওয়া শিশুরা জন্মনিবন্ধন সনদ পাচ্ছে না, যা তাদের пожизненный সমস্যার মুখে ফেলছে।




