গুয়াতেমালায় অবস্থিত ফুয়েগো আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ হঠাৎ করেই বৃদ্ধি পেয়েছে। এসকুইন্টলা, চিমালটেনাঙ্গো এবং সাকাতেপেকুয়েজ অঞ্চলের সীমান্তবর্তী এই সক্রিয় স্ট্রাটোভলক্যানোটি সোমবার (০৪ আগস্ট) থেকে উদ্বেগজনকভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে দেশটির জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জরুরি অবস্থা 'কমলা সতর্কতা' ঘোষণা করেছে।

আলোটেনাঙ্গো এবং এসকুইন্টলা শহরের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি বসবাসকারী প্রায় ৪০০ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ছাইপড়া এবং আরও অগ্নুৎপাতের ঝুঁকির কারণে আগ্নেয়গিরির নিকটবর্তী স্কুলগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি সেবা বিভাগ বাসিন্দাদের নিজ নিজ নিরাপত্তার জন্য বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ফুয়েগো আগ্নেয়গিরির এক ভয়াবহ অগ্নুৎপাতে শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল। ফুয়েগো আগ্নেয়গিরিটি পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় প্রাচীন শহর আন্তিগুয়া থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার (১০ মাইল) পশ্চিমে অবস্থিত। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এই শহরে ঔপনিবেশিক যুগের স্থাপত্য দেখতে বহু দর্শনার্থী আসেন। সক্রিয় স্ট্র্যাটোভলক্যানোটি আগ্নেয়গিরি আরোহীদের কাছেও বেশ জনপ্রিয়।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি সেবা বিভাগ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভা ও ছাইয়ের কারণে আশপাশের এলাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবহন বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতির অবনতি হলে আরও সতর্কতা জারি করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।