সপ্তাহান্তে আন্তর্জাতিক বাজারে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা গেছে, যেখানে যুদ্ধ-সম্পর্কিত মূল্য চাপ কিছুটা কমেছে। মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত এবং অপরদিকে ওপেক প্লাস জোটের উৎপাদন বৃদ্ধির ঘোষণা। এই দুই ঘটনার প্রভাবে অপরিশোধিত তেলের দাম থেকে যুদ্ধ প্রিমিয়াম তথা ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির অতিরিক্ত মূল্য বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে। ফলস্বরূপ, সোমবার সকালের বৈশ্বিক বাণিজ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। অন্যদিকে, তেলের দাম কমার প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরে এসেছে এবং স্টক ফিউচারের সূচকগুলি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখিয়েছে। সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পশ্চাদপসরণ এবং ওপেক প্লাসের সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাজারে স্বস্তির ঢেউ এনেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বল্পমেয়াদে তেলের দাম আরও কমতে পারে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা আনতে পারে। তবে ইরান নিয়ে ভবিষ্যতে কী অবস্থান নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ওপেক প্লাসের উৎপাদন সীমা কেমন হয়, তার ওপর নির্ভর করছে বাজারের পরবর্তী গতিপথ। বর্তমানে বিনিয়োগকারীরা এই নতুন পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন এবং তাদের পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যস্ত করছেন। এই ঘটনায় সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে জ্বালানি খাতের শেয়ারগুলোর ওপর, যেখানে কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও সামগ্রিক বাজার সূচক ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।
ইরান হামলা স্থগিত ও ওপেক প্লাসের উৎপাদন বৃদ্ধিতে তেলের দাম কমল, শেয়ারবাজারে স্বস্তি
ইরানে হামলা বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং ওপেক প্লাসের উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে সপ্তাহান্তে তেলের দাম থেকে যুদ্ধ প্রিমিয়াম কমে যায়, যার ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম কমে এবং স্টক ফিউচার বেড়ে যায়।




