যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে সম্প্রতি পাস হওয়া একটি আইন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে মানসিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন এক বিতর্কিত শর্ত যুক্ত করেছে। এই আইনের আওতায়, কোনো ক্লায়েন্ট যখন এআই-ভিত্তিক সাইকোথেরাপি নিচ্ছেন, তখন সংশ্লিষ্ট থেরাপিস্টকে সেই সেশনের সময় সরাসরি এবং তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে হবে। এআই ইনসাইডার নামক একটি বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠানের মতে, এই আইনটি থেরাপিস্টদের জন্য এক কঠিন দ্বিধার সৃষ্টি করেছে। একদিকে তাদের ওপর আইনগত বাধ্যবাধকতা চাপানো হয়েছে, অন্যদিকে প্রযুক্তিগত ও পেশাগত সীমাবদ্ধতার কারণে তা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আইনটি এআই-নির্ভর মানসিক স্বাস্থ্য সেবার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং এটি অন্যান্য রাজ্যের জন্যও একটি নজির সৃষ্টি করতে পারে। আইনটি পাসের পর থেকে থেরাপিস্ট সম্প্রদায়ের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ একে রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে এটিকে অকার্যকর ও ব্যবহারিক দিক থেকে দুর্বল বলে সমালোচনা করছেন। সংশ্লিষ্ট আইনপ্রণেতারা বলছেন, প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে মানসিক স্বাস্থ্য সেবার মান নিয়ন্ত্রণে এই আইন জরুরি ছিল। তবে বাস্তবে থেরাপিস্টদের পক্ষে প্রতিটি এআই সেশন পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজনমতো হস্তক্ষেপ করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে। এই আইনের ফলে কলোরাডোর মানসিক স্বাস্থ্য সেবা খাতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
কলোরাডোতে এআই মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় থেরাপিস্টদের সরাসরি হস্তক্ষেপ বাধ্যতামূলক
যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো রাজ্যে নতুন এক আইন পাস হয়েছে যা এআই-চালিত মানসিক স্বাস্থ্য সেবার সময় থেরাপিস্টদের রিয়েল-টাইমে হস্তক্ষেপ বাধ্যতামূলক করেছে। এই আইনটি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে এবং থেরাপিস্টদের জন্য জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে।



