চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এই মুনাফা ২৬ শতাংশ বেড়ে ১৩৭ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ২ দশমিক ৩৭ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৯৯ টাকায়।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রথমার্ধে রিটার্ন অন ইকুইটি (আরওই) বেড়ে ১২ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং রিটার্ন অন অ্যাসেটস (আরওএ) বেড়ে ১ দশমিক ৫২ শতাংশে পৌঁছেছে। আইডিএলসির গ্রাহক আমানত একক ভিত্তিতে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা, অন্যদিকে ঋণ পোর্টফোলিওর পরিমাণ হয়েছে ১১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা।
আর্থিক খাতের অন্যান্য সূচকেও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা গেছে। প্রতিষ্ঠানটির মন্দ ঋণের হার (এনপিএল) আগের বছরের প্রথমার্ধের ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে নেমে এসেছে। পাশাপাশি এনপিএল প্রভিশন কভারেজ রেশিও ১১২ শতাংশে বজায় রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে আইডিএলসি।
আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম জামাল উদ্দিন জানান, আর্থিক খাতে তহবিলের ব্যয়, সম্পদের মান রক্ষা এবং গ্রাহকের পরিবর্তনশীল চাহিদার মতো নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি শক্তিশালী ব্যালান্স শিট বজায় রেখে, গ্রাহকসেবা জোরদার করে এবং সতর্কতার সঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণের কৌশল অনুসরণ করে ভালো ফল অর্জন করেছে।
আইডিএলসি ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদ সাত্তার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সম্পদের মান ধরে রাখার পাশাপাশি মুনাফা বৃদ্ধির এই ধারা ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তিকে আরও মজবুত করবে। গত ২৮ জুলাই রাজধানীর গুলশানে আইডিএলসির করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের ৩৭০তম সভায় ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।
উল্লেখ্য, আইডিএলসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি সিকিউরিটিজ, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস ও আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টও এই সময়ে ব্যবসায়িক ফলাফলে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।



