রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে শনিবার সকালে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য শেষে বের হওয়ার সময় তিনি সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়সীমা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করায় আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এই মেয়াদ বিদ্যমান। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সংবিধান অনুযায়ী ১৫ জুলাই থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন আহ্বান করা আবশ্যক। আইনমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে ওই অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিষয়টি এখনই বিচারযোগ্য কি না তা আইনি ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে দেখা হবে। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করা খুবই তাড়াহুড়ো হবে।’ আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি ইঙ্গিত দেন যে সাবেক রাষ্ট্রপতি সংবিধান অনুযায়ী কিছু সুরক্ষা সুবিধা ভোগ করেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে কিছু সংরক্ষণ দেওয়া আছে। আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব। সময় হলে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
উদ্বোধনী পর্বে বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। অধিকারের প্রেসিডেন্ট তাসনিম সিদ্দিকী সভাপতিত্ব করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিয়ে এই পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়েছিল।




