আগামী অক্টোবর ও নভেম্বরে নিজেদের মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের একটি ব্যস্ত সময়সূচি অপেক্ষা করছে পাকিস্তানের জন্য। এই সময়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট সিরিজের পাশাপাশি ইংল্যান্ডকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজও খেলবে তারা। নতুন এই মৌসুম শুরু হবে অক্টোবরে রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এটি হবে পাকিস্তানের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সিরিজের তিনটি ম্যাচ যথাক্রমে ৯, ১১ ও ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে পাঁচ দিনের বিরতি দিয়ে একই মাঠে শুরু হবে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ, যেখানে প্রতিটি দল একে অপরের মুখোমুখি হবে দুইবার করে। পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল ৩১ অক্টোবর ফাইনালে লড়বে। রাওয়ালপিন্ডিতে ২০ ও ২২ অক্টোবর পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে খেলবে ইংল্যান্ড। এরপর বাকি চারটি ম্যাচের জন্য তিন দলই চলে যাবে লাহোরে। ঘরের মাঠে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ আয়োজন করতে যাচ্ছে পাকিস্তান, এর আগে গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রস্তুতি হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে এমন একটি সিরিজ আয়োজন করেছিল তারা। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সিরিজের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি ৯ থেকে ১৩ নভেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে এবং দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি ১৭ থেকে ২১ নভেম্বর লাহোরে খেলা হবে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে গণনা করা হবে এই দুটি ম্যাচ। টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ইসলামাবাদে তিন দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে লঙ্কান ক্রিকেট দলের। বর্তমান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় সিরিজ। গত বছর অক্টোবরে একই ভেন্যুতে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হয়ে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছিল পাকিস্তান। এই চক্রে পাকিস্তানের শেষ সিরিজটি হবে আগামী বছরের মার্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। বর্তমানে ৯ দলের পয়েন্ট তালিকার অষ্টম অবস্থানে আছে পাকিস্তান।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড দলের জন্য ২০২৬-২৭ মৌসুমের ব্যস্ত শীতকালীন সূচির প্রথম মিশন হতে যাচ্ছে এই ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ। পাকিস্তান সফর শেষ করেই তারা অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হবে, যেখানে তিনটি ওয়ানডে ও পাঁচটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা রয়েছে। এরপর ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে তিনটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে ইংলিশরা। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে তারা। এরপর মার্চে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) ১৫০তম বার্ষিকী টেস্ট খেলতে আবার অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাবে ইংল্যান্ড।




