ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে একমাত্র গোলদাতা হিসেবে স্পেনকে জিতিয়ে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন ফেরান তোরেস। কিন্তু মাঠের বাইরেও তাঁর এক ভিন্ন পরিচয় রয়েছে—অসহায় পথপ্রাণীর প্রতি তাঁর অপরিসীম মমত্ববোধ। অনেকের কাছে পথের কুকুর একটি উপদ্রব হলেও, তোরেস মনে করেন এদের প্রতি মানবিক আচরণ করা জরুরি। তিনি জানান, তিনি ও তাঁর বোন চাইলে পথের সব কুকুরকে আশ্রয় দিতেন, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। তাই তিনি সাধ্যমতো সহায়তা করতে চান। ২০২১ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের ওয়াইল্ড অ্যাট হার্ট ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত হন, যা প্রাণী কল্যাণে কাজ করে। সেবছরই বুলগেরিয়ার একটি স্ট্রিট হার্টস বিজি শেল্টার থেকে তিনি 'মাইলো' নামের একটি কুকুরছানা দত্তক নেন। মাইলোকে উদ্ধার করা হয়েছিল একটি সেতুর নিচ থেকে, যেখানে সে অপুষ্ট ও পোকায় আক্রান্ত অবস্থায় ছিল। চিকিৎসার পর তোরেস তাকে নিজের পরিবারের সদস্য করে নেন এবং নাম দেন 'মাইলো তোরেস'। করোনা মহামারির সময় মাইলো ছিল তাঁর একাকীত্বের সঙ্গী। পরে বার্সেলোনায় যোগ দিলে তিনি মাইলোকেও স্পেনে নিয়ে আসেন। শৈশব থেকেই তোরেস কুকুর পালতেন; তাঁর প্রথম কুকুরের নাম ছিল 'রেক্স', যার ট্যাটু এখনও তাঁর বাহুতে রয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে এক কোটির বেশি ফলোয়ার থাকায় তিনি পথকুকুরের সুরক্ষা ও সচেতনতা নিয়ে নিয়মিত পোস্ট করেন। তিনি মনে করেন, প্রাণীদের সময়মতো টিকা ও বন্ধ্যাকরণের মাধ্যমে তাদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, এবং তাদের অপসারণ না করে সহানুভূতির সঙ্গে বাঁচতে দেওয়া উচিত। তাঁর এই প্রচেষ্টা মানবতার কোনো সীমানা মানে না, এবং তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান পথপ্রাণীর জন্য সামান্য সহায়তা করতে।
বিশ্বকাপ জয়ী স্প্যানিশ ফুটবলার ফেরান তোরেসের পথপ্রাণীর প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা প্রচার
স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতানো ফুটবলার ফেরান তোরেস মাঠের বাইরে পথপ্রাণীর কল্যাণে কাজ করেন। তিনি ২০২১ সালে যুক্তরাজ্যের একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হন এবং বুলগেরিয়া থেকে মাইলো নামে একটি কুকুর দত্তক নেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি পথকুকুরের সুরক্ষায় সচেতনতা ছড়াচ্ছেন।



