আগামী ১৫ আগস্ট শনিবার কিশোর আলোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে মাসিক অফলাইন সাধারণ সভা এবং একটি বিশেষ মিউজিক ওয়ার্কশপ। বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে সাধারণ সভা, তার পরেই ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত হবে মিউজিক ওয়ার্কশপ। এই কর্মশালায় সঙ্গীতশিল্পী শেখ সালেকীন অংশগ্রহণকারীদের স্টাফ নোটেশন, রিদম বেসিকস এবং বাদ্যযন্ত্র চর্চার মতো বিষয়গুলো শেখাবেন।
সভায় অংশ নিতে ইচ্ছুক পাঠকদের একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করতে হবে। ফরম পূরণের পূর্বে অবশ্যই মিটিংয়ের অংশগ্রহণ সংক্রান্ত নিয়মকানুন সম্পর্কে জেনে নিতে বলা হয়েছে। নির্বাচিত ব্যক্তিরা সভার দুদিন আগে, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে শনিবার সকালের মধ্যে একটি এসএমএস পাবেন। শুধুমাত্র নির্বাচিত ব্যক্তিরাই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন।
অংশগ্রহণের জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ইতোমধ্যে যারা কিআ মিটিংয়ে অংশ নিয়েছেন বা নেননি, তাদের সকলকেই ফরম পূরণ করতে হবে। এই ফরমটি শুধুমাত্র এই মাসের মিটিংয়ের জন্যই রেজিস্ট্রেশন হিসেবে গণ্য হবে। কক্ষে প্রবেশের সময় ফরমে দেওয়া তথ্যানুযায়ী নামের তালিকা স্বাক্ষর করে ঢুকতে হবে। দ্বিতীয়ত, মিটিং কক্ষে শুধুমাত্র মানিব্যাগ বা পার্স নেওয়া যাবে, অন্য কোনো ধরনের ব্যাগ আনা নিষিদ্ধ।
সময়ানুবর্তিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সকলকে ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে উপস্থিত হতে হবে, কারণ ৩টায় সভা শুরু হবে। ৩টা ৩০ মিনিটের পর কিআ কর্তৃপক্ষের মনোনীত ব্যক্তি ছাড়া আর কাউকে কক্ষে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। মোবাইল ফোন ছাড়া ডিএসএলআর, এসএলআর, হ্যান্ডিক্যাম বা অন্য কোনো ক্যামেরা আনা যাবে না।
প্রবেশের জন্য মূল টিকেট হিসেবে কাজ করবে অংশগ্রহণকারীর নিজের একটি মৌলিক লেখা বা আঁকা। এটি পরবর্তী কোনো সংখ্যায় ছাপানোর জন্যও মনোনীত হতে পারে। লেখা বা আঁকা মানসম্মত না হলেও সেটি নিজেকে দিয়েই তৈরি করতে হবে। বই থেকে কপি করে বা সাদা কাগজ জমা দিয়ে অংশ নেওয়া যাবে না। লেখা বা আঁকার সঙ্গে নিজের নাম, ঠিকানা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শ্রেণি ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
সভাকক্ষে প্রবেশের জন্য কিশোর আলোর আগস্ট সংখ্যা আনা বাধ্যতামূলক। সবাইকে সংখ্যাটি পড়ে আসতে হবে, কারণ সভায় কিআ বিষয়ক আলোচনা হবে এবং সংখ্যাটি পড়া থাকলে আলোচনায় অংশ নেওয়া সহজ হবে। মিটিংয়ের সময় বক্তা বা অন্য অংশগ্রহণকারীদের জন্য অসুবিধা সৃষ্টি করে এমন আচরণ করা যাবে না। গ্রহণযোগ্য আচরণ না করলে পরবর্তী মিটিংগুলোতে নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
লেখালেখির বাইরে যারা সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে চান, তারা নিজের আগ্রহের বিষয়ে মিটিংয়ে পারফর্ম করতে পারবেন। যেমন, গান, আবৃত্তি, অভিনয় বা বাদ্যযন্ত্র বাজানো। মিটিংয়ে অংশ নিতে হলে অভিভাবকের অনুমতি নিয়ে আসতে হবে এবং কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। অভিভাবক সঙ্গে আনলেও তাদের জন্য বসার বা অপেক্ষা করার ব্যবস্থা থাকবে না।
১৮ বছরের বেশি বয়সীরা কিআ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মিটিংয়ে অংশ নিতে পারবেন না। নির্ধারিত ভবনের নিচতলায় এসে ফ্রন্ট ডেস্কে নাম নিবন্ধন করতে হবে। ১০ম তলায় এসে ভলান্টিয়ারদের কাছে নামের পাশে স্বাক্ষর করে লেখা বা আঁকা জমা দিয়ে তবেই কক্ষে প্রবেশ করা যাবে। নির্বাচিত হলে ইমেইল বা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। একজন ব্যক্তি শুধু একবারই ফরম পূরণ করতে পারবেন; একাধিকবার পূরণ করলে নিবন্ধন বাতিল হতে পারে।
আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই শুধু ফরম পূরণ করতে বলা হয়েছে। নিবন্ধন করে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি কেউ নির্ধারিত দিনে মিটিংয়ে না আসেন, তাহলে পরবর্তী মিটিংয়ে তাকে বিবেচনা না-ও করা হতে পারে। ১৫ আগস্ট শনিবার বিকেল ৩টায় প্রগতি ভবনের ১০ম তলায় (২০-২১, কারওয়ান বাজার, ঢাকা) এই অফলাইন মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।
এই ইভেন্টের জন্য একটি সংশ্লিষ্ট কমিকস সিরিজ 'অ্যাডভেঞ্চার অব ইলু বিলু: পর্ব ৩৭' এবং একটি লোডিং স্ক্রিনের উল্লেখ রয়েছে, যা ইভেন্টের প্রচারের অংশ হতে পারে। সর্বশেষ আপডেটটি ৪ আগস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার দেওয়া হয়েছে।



