পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা এলাকায় আবদুস শুকুর নামে ৪০ বছর বয়সী এক স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শুকুর ভূলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে তিনি নিজ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তাঁর আর কোনো সন্ধান মিলছিল না। একদিন পর শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে রতনপুর গ্রামের উজিরের বাগানের জঙ্গলে স্থানীয় বাসিন্দারা গলাকাটা অবস্থায় একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে আতাইকুলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা গিয়ে সেটিকে আবদুস শুকুরের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।
ভূলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু ইউনুস বিশ্বাস গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুকুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি আরও বলেন, এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ কী তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি ঘটনার ন্যায়সঙ্গত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।
আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, মৃতদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের রহস্য উদঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন। আবদুস শুকুর রতনপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন।


