প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় বিদেশে যেতে পারেন না। আবেদনপত্রে ত্রুটি বা প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে ব্যর্থতার কারণেই বেশিরভাগ আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগাম সতর্কতা অবলম্বন করলে এই সাধারণ ভুলগুলো সহজেই এড়ানো সম্ভব।
ভাষাগত দক্ষতার শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়া অন্যতম প্রধান কারণ। আইইএলটিএস, টোয়েফল বা সমমানের পরীক্ষায় নির্ধারিত স্কোর অর্জন করতে না পারলে আবেদন অগ্রাহ্য হয়। অন্যদিকে, নিজের একাডেমিক বা পেশাগত পটভূমির সঙ্গে সঙ্গতিহীন কোর্স নির্বাচন করলেও ভিসা কর্মকর্তার কাছে আবেদনটি প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ না দেখাতে পারাও বড় বাধা। টিউশন ফি ও বিদেশে বসবাসের খরচ বহনের মতো পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে আবেদন নাকচ হয়ে যায়। পাশাপাশি শিক্ষাজীবন বা চাকরিতে দীর্ঘ বিরতি থাকলে তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে না পারলেও আবেদন ঝুঁকির মুখে পড়ে।
সাক্ষাৎকারের সময় আত্মবিশ্বাসের অভাব, অসংগতিপূর্ণ উত্তর বা স্পষ্ট পরিকল্পনার অভাবও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কিছু দেশে পূর্ববর্তী একাডেমিক ফলাফলও ভিসা মূল্যায়নে গুরুত্ব পায়। দুর্বল ফলাফল থাকলে তা প্রত্যাখ্যানের কারণ হতে পারে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিত থাকলেও আবেদন বাতিল হয়। ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা বা অন্যান্য তথ্য ভুলভাবে উল্লেখ করলেও একই পরিণতি ঘটে। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আবেদনের আগে নথিপত্র যাচাই, সঠিক তথ্য প্রদান, আর্থিক প্রমাণ প্রস্তুত রাখা এবং সাক্ষাৎকারের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

