মেটার বিরুদ্ধে আনা আইনি পদক্ষেপগুলোকে ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে একটি মন্তব্য প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে সুস্থ ও আনন্দময় জীবনধারা গড়ে তুলতে সহায়তা করাই মেটার মূল লক্ষ্য, যা কোনো ক্ষতির কারণ নয়, বরং ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সম্প্রতি মেটার প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে, তবে বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, তরুণ প্রজন্মের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতায় মেটার ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানটি কিশোর-কিশোরীদের জন্য এমন সব উদ্যোগ নিচ্ছে যা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও উন্নত করতে পারে।
তবে এসব উদ্যোগ সত্ত্বেও মেটার বিরুদ্ধে যে সব মামলা দায়ের হয়েছে, সেগুলোকে ‘হানির বদলে উপকার’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার পরিবর্তে কিছু গোষ্ঠী বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, যা তরুণদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
মেটা অবশ্য তাদের অবস্থানে অনড়, তারা বলছে, তরুণদের নিরাপত্তা ও কল্যাণই তাদের অগ্রাধিকার। ভবিষ্যতে তারা আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে, যাতে তরুণরা ডিজিটাল জগতে আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।




