লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) চলতি আসরে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে ক্যান্ডি রয়্যালসের বিপক্ষে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে জাফনা কিংস। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চোটের কারণে নিজেকে এলপিএল থেকে সরিয়ে নেওয়া তাসকিন আহমেদের জায়গায় জাফনা দলে অন্তর্ভুক্ত করেছিল তাওহিদ হৃদয়কে। প্রথম ম্যাচেই ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন এই বাংলাদেশি ব্যাটার।
ক্যান্ডি রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে জাফনার ইনিংসের শুরুটা দারুণভাবে এনে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার কামিল মিশারা ও আভিস্কা ফার্নান্দো। তারা দুজন মিলে ১২.৪ ওভারে ১২৯ রানের জুটি গড়েন। আভিস্কা ফার্নান্দো আউট হলে তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করতে নামেন তাওহিদ হৃদয়। শুরুতে নিজের ছন্দ খুঁজে পেতে কিছুটা বেগ পেতে হলেও প্রথম বাউন্ডারি আসে ১৫তম বলে। শাহীন আফ্রিদির বলে চার মেরে নিজের ইনিংস শুরু করেন তিনি। শেষ ওভারের আগে পর্যন্ত হৃদয়ের রান ছিল ১৬ বলে ১৯। তবে আসল বিস্ফোরণ ঘটে ইনিংসের শেষ ওভারে। নুয়ান থুসারার করা সেই ওভারের প্রথম বলেই চার মারেন হৃদয়। এরপর টানা তিনটি ডাবলস নিয়ে শেষ বলটি কাউ কর্নার দিয়ে ছক্কা হাঁকান। এই ওভারে ২১ রান তুলে নেন তিনি। ফলে জাফনার পক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২০০ রানের বড় লক্ষ্য দাঁড়ায়।
বিপরীতে, জাফনার দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ক্যান্ডি রয়্যালস। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বল হাতে নেন সাকিব আল হাসান। প্রথম ওভারে তিনি মাত্র ৩ রান দেন। পরের ওভারটিও ৫ রানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেন। তবে ১৩তম ওভারে এসে কিছুটা চাপে পড়েন তিনি। ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে পরপর দুই চার হজম করেন। তবে ওভারের পঞ্চম বলে মঈন আলীকে ডেভিড ভিসের অসাধারণ ক্যাচের ফাঁদে ফেলে নিজের একমাত্র উইকেটের সন্ধান পান। শেষ পর্যন্ত সাকিবের বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৩ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ১ উইকেট। ক্যান্ডি রয়্যালসের ইনিংস থেমে যায় মাত্র ১০৬ রানে। এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচে তিন জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে জাফনা কিংস।




