ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা তেল পাইপলাইন চুক্তির সমাপ্তি ঘটেছে। ১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে জ্বালানি সমীকরণ সাজাচ্ছে দুই দেশ। এই প্রেক্ষাপটে তুরস্ক ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কিরকুক তেলক্ষেত্রের ১৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব অর্জন করেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, লোডিং কার্যক্রম স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদনের লক্ষ্যকে কেবল রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবেই দেখা উচিত। বাস্তবে উৎপাদন ও পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে তবেই সেই লক্ষ্য বাস্তবসম্মত হবে। এই চুক্তি বাতিল ও নতুন অংশীদারিত্ব কিরকুকের তেল সম্পদের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তন এনেছে, যা আঞ্চলিক জ্বালানি বাজার ও ভূ-রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
কিরকুকে তুরস্কের ১৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব: ইরাক-তুরস্ক তেল চুক্তির নতুন অধ্যায়
১৯৭৩ সালে স্বাক্ষরিত ইরাক-তুরস্ক তেল পাইপলাইন চুক্তি বাতিল হয়েছে। তুরস্ক ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) সঙ্গে যৌথভাবে কিরকুক তেলক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ মালিকানা গ্রহণ করেছে। দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেল উৎপাদনকে লোডিং বাড়া পর্যন্ত রাজনৈতিক হিসেবে গণ্য করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।




