জনপ্রিয় জিএলপি-১ শ্রেণির ওষুধের ক্রমবর্ধমান চাহিদা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় অংকের ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংক অব আমেরিকার প্রধান নির্বাহী সম্প্রতি এক তথ্যে জানিয়েছেন, তাদের সংস্থাটি শুধুমাত্র কর্মীদের জন্য এই ধরনের ওষুধ কেনার পেছনে বার্ষিক ২৫০ মিলিয়ন বা ২৫ কোটি ডলার ব্যয় করে থাকে।

তিনি উল্লেখ করেন, ওজেম্পিক ও ওয়েগোভির মতো ওষুধগুলোর প্রতিটি রোগীর পেছনে বছরে হাজার হাজার ডলার খরচ হতে পারে। এই ব্যাপক চাহিদা সামাল দিতে গিয়ে বড় বড় কর্পোরেশনগুলোকে স্বাস্থ্যখাতে তাদের বরাদ্দকৃত তহবিলের একটি বড় অংশ ব্যয় করতে হচ্ছে।

ওষুধ দুটি মূলত ডায়াবেটিস ও স্থলতা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয় এবং বাজারে এগুলোর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। এমতাবস্থায়, কোম্পানিগুলোর নির্বাহী কর্মকর্তারা কর্মীদের স্বাস্থ্যসেবার খরচ নিয়ন্ত্রণে আনতে নীতি পুনর্মূল্যায়নের চেষ্টা করছেন। ব্যাংক অফ আমেরিকার এই বিপুল অংকের বার্ষিক ব্যয় সাংঘাতিকভাবে চিত্রিত করে যে, জিএলপি-১ ওষুধের বর্ধিত চাহিদা কর্পোরেট স্বাস্থ্য তহবিলে কী পরিমাণ চাপ সৃষ্টি করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এই ওষুধের চাহিদা কেবল বাড়তির দিকেই রয়েছে, যা আগামী দিনেও কোম্পানিগুলোর জন্য একই ধরনের আর্থিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত বহন করে।