দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করায় তাদের এই হামলা একটি প্রতিক্রিয়া। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের বেসামরিক জনগণকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছিল। এরপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় একজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তাদের হামলা শুধুমাত্র সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে এবং তারা বেসামরিক লোকজনকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছে। তবে লেবাননের সরকারি সূত্রগুলো এই হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে। এই ঘটনায় আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন করে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউনিফিল) উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। এই হামলার মধ্য দিয়ে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কয়েক সপ্তাহ ধরে সীমান্ত এলাকায় অপেক্ষাকৃত শান্ত পরিবেশ ছিল, কিন্তু এই ঘটনা সেই শান্তি ভেঙে দিয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, হামলার পর দক্ষিণ লেবাননের অনেক গ্রাম থেকে মানুষজন নিরাপদ স্থানে সরে যেতে শুরু করেছেন। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে হিজবুল্লাহকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ী করে বলা হয়েছে, তারা সীমান্ত এলাকায় নতুন করে সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। এই হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ১
ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়েছে, যাতে একজন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটিই প্রথম সতর্কবার্তা জারি করে ইসরায়েলের হামলা।




