গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটির আহ্বানে আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একটি গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি গত अन्तর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তির প্রতিবাদে আয়োজিত ছিল। কর্মসূচির সমাপনী বক্তৃতায় ব্যক্ত করেন অর্থনীতিবিদ ও কমিটির সদস্য অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি স্পষ্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার যে ৩২ পৃষ্ঠার দলিল প্রকাশ করেছে, সেটি কোনো ചুক্তি নয় বরং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একপক্ষীয় আদেশনামা ও হুকুমনামা।

অধ্যাপক মুহাম্মদ জানান, বাংলাদেশের সাবেক अन्तর্বর্তী সরকার সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। বর্তমান সরকারও এ বিষয়ে الآن পর্যন্ত কোনো মতামত প্রকাশ করেনি। আমরা যা জানি, সেটি একমাত্র মার্কিন পক্ষ থেকে প্রকাশিত দলিল থেকে। তিনি প্রশ্ন করেন, যেটি মার্কিন ফেডারেল সরকার নিজস্ব রাজ্যগুলোকে বাধ্য করতে পারেনি, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার সেটি কীভাবে গ্রহণ করল? এটাকে তিনি 'উপনিবেশিক দাসত্ব' ছাড়া অন্য কিছুই বলার থেকে সরে যান।

চুক্তির olmasıর মাধ্যমে বাংলাদেশ যে রাজনৈতিক ও সামরিক বাধ্যবাধকতায় আঁকা হয়েছে, তার কারণে দেশ অন্য কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে মার্কিন করপোরেট স্বার্থের বিপরীত যাবতীয় চুক্তি করতে পারবে না বলে তিনি আশংকা व्यक्त করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক অম filosofía শत्रুতাপূর্ণ থাকলে বাংলাদেশ কওণো বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক, সামরিক বা কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারবে না — এটি পুরোপুরি দাসত্বমূলক এক চুক্তি বলে তিনি অভিধান করেন।

অর্থনীতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে, অধ্যাপক মুহাম্মদ বলেন, চুক্তি অনুযায়ী আমদানি বাধ্যতামূলক হলে দেশের পোল্ট্রি, মৎস্য, ডিম ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় কুটি শিল্পগুচ্ছ ভয়াবহ সংকটে পড়বে। লাখ লাখ মানুষ এই খাতে জড়িত। কর্মসংস্থানের বিদ্যমান সমস্যা আরও জটিল হবে। শুল্ক মুক্ত আমদানির কারণে সরকারি রাজস্ব আয়ে তীব্র পতন হবে, ফলে সাধারণ মানুষের ওপর নতুন কর আরোপণ করা হবে। আরো দামে পণ্য কেনার ক্ষমতা না থাকলে সরকারকে সাবসিডি দিতে বাধ্য হওয়া পড়বে — সর্বমোট বোঝা মানুষের মাথায় পড়বে।

ভারতের আধিপত্য প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা পাওয়া যাবে এমন ধারণাটি ভুল বলে তিনি মনে করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত পরস্পরবিরোধী শক্তি নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতকে মার্কিন নেতৃত্বের ভূমিকায় স্বীকৃত করে। ইতিহাস সাক্ষী, ভারতের আধিপত্য 있었을 그때েও বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নানা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। সুতরাং মার্কিন আধিপত্য ভারতীয় আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

সংসদে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা না হওয়াকে তিনি তীব্র সমালোচনা করেছেন। বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পর বিরোধাবাস plejada করলেও এই 'দাসত্বমূলক চুক্তি' বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরবতা ধারণ করেছে। রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি সারা দেশবাসীর দায়িত্ব এই চুক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

কর্মসূচিতে অন্যান্য বক্তা ছিলেন — কমিটির সদস্য هارুন ওর রশিদ, সামিনা লুৎফা, মাহা মির্জা, সীমা দত্ত, বাংলাদেশ যাসদের নেতা মুশফিক হোসেন, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ কাফি রতন। বামপন্থী đaধা রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভাতrical নাট্য, গান ও আবৃত্তি উপস্থাপনার মাঝপথে বক্তৃতা ব্যবধান الأخيرة失礼।