যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকি অঙ্গরাজ্যে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে রায়ানএয়ারের প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা টনি রায়ানের বিশাল অশ্বারোহী এস্টেট। ‘ক্যাসেলটন’ নামের এই সম্পত্তির দাম ধরা হয়েছে ৫৭.৫ মিলিয়ন ডলার। অশ্বারোহী জগতে ব্যাপক পরিচিত এই খামারটি কেনটাকির সবচেয়ে বেশি আলোকচিত্রিত খামারগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত টনি রায়ান এই এস্টেটের মালিক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা এখন এই বিশাল সম্পত্তি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অশ্বারোহী খেলার প্রতি রায়ানের গভীর অনুরাগ ছিল এবং ক্যাসেলটন ছিল তার সেই ভালোবাসারই প্রতিফলন।

কেনটাকির ব্লুগ্রাস অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই এস্টেটে রয়েছে বিস্তৃত সবুজ চারণভূমি, আধুনিক অশ্বারোহী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ঐতিহাসিক স্থাপত্যের সমন্বয়। অশ্বারোহী খেলার সঙ্গে জড়িত ক্রেতাদের জন্য এটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি প্রস্তাব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় সম্পত্তি ব্যবসায়ীদের মতে, ক্যাসেলটনের মতো ঐতিহ্যবাহী ও সুপরিচিত একটি খামার খুব কমই বাজারে আসে। এর সুনাম, অবস্থান এবং অবকাঠামো — সবকিছু মিলিয়ে দামটি যুক্তিসঙ্গত বলেই তারা মনে করছেন। আগ্রহী ক্রেতারা ইতিমধ্যে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছেন বলেও জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ বাজেট এয়ারলাইন রায়ানএয়ারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন টনি রায়ান। তার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি অশ্বারোহী খেলার প্রতি এই অনুরাগ ছিল তার ব্যক্তিজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য দিক।

ক্যাসেলটনের বিক্রয় প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে এটি প্রস্তাব করা হচ্ছে। অশ্বারোহী শিল্প ও সম্পত্তি বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিতে এটি একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।