বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় বাজারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর কেন্দ্রীভূত হয়েছে। প্রথমত, একাধিক বড় কর্পোরেশনের ত্রৈমাসিক আয় প্রতিবেদন ঘিরে বাজার অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তির খবর বাজারে আশার সঞ্চার করছে। এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ঠিক সেই মুহূর্তে ফেডারেল রিজার্ভের পক্ষ থেকে সুদহার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যা বাজারে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। ফেডের এই অবস্থানের ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা এখন এই তিনটি বিষয়ের প্রভাব কেমন হবে তা বিশ্লেষণ করছেন। কর্পোরেট আয় প্রতিবেদনগুলো থেকে প্রাপ্ত সংকেত, ইরান চুক্তির সম্ভাব্য অগ্রগতি এবং ফেডের সুদহার নীতি — এই তিনটি উপাদান মিলে ইউরোপের শেয়ারবাজারের গতিপথ নির্ধারণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরান চুক্তি নিয়ে আলোচনা সামনের দিকে এগোচ্ছে, কিন্তু এখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। অন্যদিকে ফেডের সুদহার বৃদ্ধির ইঙ্গিত বাজারকে সতর্ক করে দিয়েছে, কারণ এর ফলে ধার নেওয়ার খরচ বাড়বে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হতে পারে। মোটকথা, এই ‘সুপার থার্সডে’ ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য একাধিক চ্যালেঞ্জ ও সুযোগের সমন্বয় নিয়ে এসেছে।