অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলে একটি কুঁজো তিমি সৈকতে আটকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের কে'গারি দ্বীপের ওয়াথুম্বা ক্রিক এলাকায় এক তরুণী ও তার মা এই তিমিটিকে দেখতে পান। স্থানীয় সময় গত রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে তিমিটি নিজে থেকেই আটকে পড়া অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হয় বলে জানিয়েছে কুইন্সল্যান্ডের পরিবেশ, পর্যটন, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন বিভাগ।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, উপকূলে আটকে পড়া কোনো সামুদ্রিক প্রাণীর কাছে যাওয়া, তাকে স্পর্শ করা বা বিরক্ত করা যাবে না। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এর আগে, তাসমানিয়ার হোবার্ট বিমানবন্দরে দেশীয় প্রাণীদের খেলনার পাশে একটি জীবন্ত পোসাম (এক প্রকার স্তন্যপায়ী প্রাণী) দেখতে পান যাত্রীরা।

এদিকে, অস্ট্রেলিয়ার একটি গ্রামীণ শহর গত ২৫ বছর ধরে তাদের প্রধান সড়ককে অভ্যন্তরীণ সৈকতে রূপান্তর করেছে। অন্যদিকে, সিডনির একটি বন্যাকবলিত গলফ কোর্সে ঝাঁপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এক ব্যক্তি, ভারী বৃষ্টিও তার উৎসাহে ভাটা ফেলতে পারেনি।

সম্প্রতি নিউ সাউথ ওয়েলস উপকূলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চারটি হাঙরের আক্রমণের ঘটনার পর সিডনির বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি। এছাড়া, ভিক্টোরিয়া রাজ্যে আকস্মিক বন্যার কারণে গত বৃহস্পতিবার বন্ধ ছিল অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত গ্রেট ওশান রোড।

বন্ডি সৈকতে রোববারের গুলির ঘটনায় নিহতদের স্মরণে শত শত মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। ওই হামলায় নিহত ১০ বছর বয়সী মাতিলদার প্রতি পরিবার, বন্ধু এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলিতে মেয়ের প্রতি ভালোবাসা জানান তার মা।

বন্ডির চাবাদ মন্দিরে অনুষ্ঠিত এক প্রার্থনা সভায় নিহত একজনের মৃত্যুকে 'অবর্ণনীয় ক্ষতি' হিসেবে বর্ণনা করা হয়। রোববারের ওই গণহত্যার শিকারদের প্রথম অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সিডনির ওই হামলায় ১৫ জন নিহত হওয়ায় শহরজুড়ে মানুষ ফুল ও মোমবাতি দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

হামলার পরদিন সিডনিতে রক্তদানের জন্য অপেক্ষার সময় সাত ঘণ্টা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে হানুক্কাহ অনুষ্ঠানে চালানো ওই গুলির ঘটনা এখনও তদন্ত করছে পুলিশ। বিবিসির সংবাদদাতারা স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার চিত্র তুলে ধরেছেন। সিডনির বনিরিগ এলাকার একটি বাড়িও পরিদর্শন করেছেন বিবিসির একজন সংবাদদাতা। প্রায় তিন দশকের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ এই গণহত্যা কীভাবে ঘটল, তা যাচাইকৃত ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তুলে ধরেছেন আরেক সংবাদদাতা।