মাঠের ভেতরে লিওনেল মেসিকে সাধারণত শান্ত ও সংযত থাকতে দেখা যায়। শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় তার নাম খুব কমই উঠে আসে। তবে সেই মেসিকেই এবার জরিমানার সম্মুখীন হতে হলো। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) তাকে জরিমানা করেছে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের খেলোয়াড় কুইন সুলিভানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তার ঘাড়ের পেছনে হাত দেওয়ার অভিযোগে। যদিও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ঘটনাটিকে ‘চড়’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তবে এমএলএসের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতিপক্ষের মুখ, মাথা বা ঘাড়ে হাত দেওয়ার নীতি লঙ্ঘন করেছেন ইন্টার মায়ামির এই তারকা ফুটবলার। লিগ কর্তৃপক্ষ অবশ্য জরিমানার সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ঘোষণা করেনি।

ঘটনাটি ঘটেছে ফিলাডেলফিয়ার মাঠে গত বুধবার ইন্টার মায়ামির ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের ১১তম মিনিটে। ওই সময় বল ছিল মাঠের এক প্রান্তে। মাঝমাঠের কাছাকাছি সুলিভানের সঙ্গে কথার কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন মেসি। একপর্যায়ে তিনি হাত দিয়ে সুলিভানের ঘাড়ের পেছনে আঘাত করেন। এরপর দুজন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রেফারি ফিলিপ দুজিচ অবশ্য প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি দেখতে পাননি। পরে তিনি এসে দুজনকে আলাদা করে দিলেও কাউকেই কোনো কার্ড দেখাননি। ম্যাচের ভিডিও পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয় এমএলএস।

একই ম্যাচে অনুরূপ অপরাধের জন্য মেসির সতীর্থ ইয়ান ফ্রেকেও জরিমানা করা হয়েছে। পেনাল্টি এলাকায় বল নিয়ে এগোনোর সময় সুলিভান পড়ে গেলে ফ্রের সঙ্গে তার বিবাদ বাধে। একপর্যায়ে ফ্রে সুলিভানের ঘাড় ধরলে দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ম্যাচের একদম শেষ দিকে উত্তেজনা আরও বাড়ে। বলের বাইরে আলাদা এক দফা সংঘর্ষে ইন্টার মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট ও ফিলাডেলফিয়ার সুলিভান লাল কার্ড দেখেন। তবে পরে স্বাধীন পর্যালোচনা প্যানেলের সিদ্ধান্তে সুলিভানের লাল কার্ড, এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা বাতিল করা হয়।