শাসনব্যবস্থার ঘাটতি, তথ্যপ্রবেশের সীমাবদ্ধতা, মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগ প্রত্যাবর্তনের অনিশ্চয়তা—এসব কারণে ২০২৭ সালের মধ্যে এজেন্টিক এআই প্রকল্পের একটি বড় অংশ পরিত্যক্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনার। তাদের মতে, এই ধরনের ৪০ শতাংশের বেশি প্রকল্প সফলতার মুখ দেখবে না।

প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্বায়ত্তশাসিত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম এজেন্টিক এআই সিস্টেম তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেগুলোর টেকসই পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এখনো পরিপক্ক নয়। তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহারের অধিকার স্পষ্ট না হওয়ায় অনেক প্রকল্প মাঝপথেই স্থবির হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি, প্রকল্পের মালিকানা নির্ধারণ এবং তা থেকে কাঙ্ক্ষিত আয়ের হিসাব-নিকাশ করাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা হারাতে বাধ্য করছে।

গার্টনারের এই পূর্বাভাস প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন করে ভাবনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কঠোর গভর্নেন্স, স্বচ্ছ ডেটা পলিসি এবং সুনির্দিষ্ট মালিকানা কাঠামো তৈরি জরুরি। অন্যথায় এজেন্টিক এআই-এর সম্ভাবনা সত্ত্বেও বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনের গতি মন্থর হয়ে পড়তে পারে। প্রতিষ্ঠানটির সতর্কবার্তা এআই খাতের উন্নয়ন ও বাণিজ্যিকীকরণের পথে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।