কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) প্রযুক্তির বৈশ্বিক আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে এখন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এআই খাতের গবেষণায় এবং অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে চীনের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক বেশি সক্ষমতা রয়েছে। অর্থাৎ, আর্থিক বিনিয়োগের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র চীনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা রাখে।
তবে প্রশ্ন উঠেছে, এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত বিজয় অর্জনে কেবল অর্থই কি একমাত্র প্রধান নিয়ামক? কেবল বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করলেই কি প্রযুক্তির এই যুদ্ধে জয় নিশ্চিত হবে, নাকি এর পেছনে আরও গভীর কোনো কৌশলগত ক্ষমতা বা শক্তির প্রয়োজন রয়েছে? সিএনবিসি-র 'দ্য চায়না কানেকশন' নিউজলেটারে এই মৌলিক বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, আর্থিক শক্তির পাশাপাশি অন্যান্য প্রভাবক বিষয়গুলোও এই দৌড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। মূলত অর্থ এবং ক্ষমতার এই দ্বৈরথই এখন নির্ধারণ করবে ভবিষ্যতে কোন দেশ এআই প্রযুক্তির নেতৃত্বে থাকবে।




