তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি খুঁজে বের করতে ইউনিলিভার বাংলাদেশের আয়োজনে সম্প্রতি এক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ‘বিজমেমেরোস্ট্রোস এক্স ইউনিলিভার ফিউচার লিডার্স প্রোগ্রাম (ইউএফএলপি) ২০২৬’ নামের এই উদ্যোগের গ্র্যান্ড ফিনালে বাস্তব ব্যবসায়িক জটিলতা নিয়ে কাজ করার সুযোগ পান অংশগ্রহণকারীরা।
প্রতিযোগিতার শিরোপা জিতে নিয়েছে ‘সোপ-আর-স্টারস’ নামের একটি দল। মীর রামিসা রাইয়ান, ফাইয়াজ আমিন ও রুশমিলা হাবিবের সমন্বয়ে গঠিত এই দল বিজয়ীর ট্রফি ঘরে তুলেছে। অন্যদিকে, প্রথম রানার্সআপ হয়েছে ‘লকড আউট’ এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছে ‘ব্রেকিং গুড’ দল। প্রতিযোগীদের উপস্থাপিত প্রস্তাবগুলো উদ্ভাবনী ক্ষমতা, প্রয়োগযোগ্যতা এবং সম্ভাব্য ব্যবসায়িক প্রভাব— এই তিন মাপকাঠিতে মূল্যায়ন করে বিজয়ী নির্ধারণ করেন বিচারকমণ্ডলী।
ইউনিলিভার বাংলাদেশের মানবসম্পদ পরিচালক সাইয়েদা দুরদানা কবির অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন, ‘ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তাদের ওপর, যারা বিদ্যমান ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করতে, নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভাবতে এবং সাহসী চিন্তাকে কাজে রূপ দিতে প্রস্তুত।’ তাঁর ভাষায়, এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমেই ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারই প্রথম বিজমেমের্ট্রোস ও ইউএফএলপি-কে একই ছাতার নিচে নিয়ে আসা হয়েছে। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি করা, বাস্তব ব্যবসায়িক সমস্যার সমাধান দেওয়া এবং কর্মজীবনের শুরুতেই নিয়োগের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। পুরো প্রক্রিয়ায় আবেদন, যোগ্যতা যাচাই ও ডিজিটাল সাক্ষাৎকারের ধাপ পেরিয়ে প্রাথমিকভাবে ৪৫ জন অংশগ্রহণকারী একটি বুটক্যাম্পে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাদের মধ্য থেকে ১৮ জনকে বাছাই করে ছয়টি ভিন্ন দলে ভাগ করা হয় এবং এই দলগুলোই গ্র্যান্ড ফিনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
ইনিলিভার বাংলাদেশ আরও জানায়, এই প্ল্যাটফর্ম শুধু তরুণ প্রতিভাদের নেতৃত্ব বিকাশই নয়, বরং কোম্পানির বিভিন্ন বিভাগে কর্মজীবন গড়ার পথ সম্পর্কেও তাদের স্পষ্ট ধারণা প্রদান করে। প্রতিযোগিতার সেরা প্রতিযোগীরা সরাসরি ইনিলিভার ফিউচার লিডার্স প্রোগ্রামের শেষ ধাপের সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, তাদের প্রাথমিক স্তরের চাকরির সুযোগ এবং ইনিলিভার লিডারশিপ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের জন্যও বিবেচনা করা হবে।




