মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় মহাজাগতিক বস্তু হিসেবে পরিচিত কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাকহোল। বিগ ব্যাংয়ের পর থেকে কীভাবে এদের আকার ও ভর বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই জটিল রহস্য উন্মোচনের কাজে বিশ্ব দরবারে সাড়া ফেলেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. তনিমা তাসনিম অনন্যা। সম্প্রতি খ্যাতনামা বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্টিফিক আমেরিকান তাঁকে তাদের উদীয়মান তারকা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান দিয়েছে। রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় শৈশব কাটানো এই বিজ্ঞানীর জ্যোতির্বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার পথটা কম অনুপ্রেরণামূলক নয়। মায়ের কাছে মঙ্গল গ্রহের গল্প শুনে মহাকাশ জয়ের স্বপ্ন দেখা এই গবেষক তাঁর যুগান্তকারী গবেষণা, ব্ল্যাকহোলের সহবিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ এবং ভবিষ্যৎ মহাকাশ অভিযান নিয়ে আলোকপাত করেছেন।
সায়েন্টিফিক আমেরিকানের এই সম্মাননা প্রসঙ্গে ড. অনন্যা জানান, বিগ ব্যাংয়ের পর থেকে ব্ল্যাকহোলের সংখ্যা ও ভর কীভাবে বেড়েছে এবং তারা চারপাশের পদার্থের সঙ্গে কীভাবে মিথস্ক্রিয়া করে তা গ্রাস করে—এই বিষয়ে তাঁর একাধিক গবেষণা প্রকল্পের জন্য তাঁকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় থাকা অত্যন্ত গুণী বিজ্ঞানীদের সঙ্গে দেখা হওয়াকে তিনি নিজের জন্য বড় প্রেরণা হিসেবে দেখছেন।
ছোটবেলায় তিনি বিজ্ঞানী ও নভোচারী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন বলে জানান। জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী হওয়ার পেছনে তিনি তাঁর মাকে সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব দেন। মঙ্গলে পাথফাইন্ডার অভিযানের সময় মা তাঁকে লাল গ্রহটির গল্প শুনিয়েছিলেন, যা তাঁর মনে গভীর দাগ কাটে। গৃহস্থালির নানা ব্যস্ততার মধ্যেও মায়ের সেই বিস্ময় ও আগ্রহ দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন এবং বুঝতে পেরেছিলেন পৃথিবীর বাইরেও বিশাল এক মহাজগৎ রয়েছে, যা তিনি জানতে চান।
নব্বইয়ের দশকে মধ্য বাড্ডায় বেড়ে ওঠার স্মৃতি চারণ করে তিনি বলেন, তখন এলাকায় পাকা রাস্তা ও টিনশেড বাড়ির আধিক্য ছিল। শুক্রবারে সবাই মিলে টেলিভিশনে 'আলিফ লায়লা', 'সিন্দবাদ' দেখতেন। বিদ্যুৎ চলে গেলে সবাই বাইরে বেরিয়ে পড়তেন আকাশের দিকে তাকাতে। চাঁদের উজ্জ্বল পর্যায় বা আকাশে কোনো অস্বাভাবিক কিছু দেখলে প্রতিবেশীরা নানা মজার মন্তব্য করতেন। ১৯৯৬ সালে ঢাকা থেকে দেখা সূর্যগ্রহণ উপলক্ষে প্রতিবেশীরা বালতি-পানি ও বিশেষ প্লাস্টিক নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন। তিনি মনে করেন, তখনকার সামাজিক বন্ধন ছিল আরও মজবুত, এখন মানুষ তেমন করে আকাশ দেখার সুযোগ পায় না।
শৈশবে তিনি সুকুমার রায়, সত্যজিৎ রায়, উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, হুমায়ূন আহমেদসহ বাচ্চাদের সব ধরনের বই, পত্রিকার ফান ম্যাগাজিন, কমিকস পড়তেন। বড় হয়ে 'হ্যারি পটার', 'লর্ড অব দ্য রিংস'-এর মতো ইংরেজি সিরিজও পড়েছেন। ঘুমানোর আগে সব সময় পড়ার অভ্যাস তাঁর আছে। ওয়াটার ও অয়েল পেইন্টিং শেখার পাশাপাশি রবীন্দ্রসংগীত ও নজরুলসংগীতের তালিমও নিয়েছিলেন মায়ের কাছ থেকে।
মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে ও-লেভেল ও এ-লেভেল শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিন মর কলেজে জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে যান। বিদেশে পড়তে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি তাঁর কাছে কঠিন ছিল, কারণ ট্রান্সক্রিপ্ট ও শিক্ষকদের রিকমেন্ডেশন সংগ্রহ করা বাংলাদেশে তখন সহজ ছিল না। তবে মানারাতের শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং স্কুলের ভালো কম্পিউটার ল্যাব ও লাইব্রেরি তাঁকে অনেক দূর এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।
জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে ওঠায় তাঁর মামা মাহবুবুল হকের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন, যিনি তাঁকে অঙ্ক ও বিজ্ঞান পড়াতেন এবং সব সময় বিজ্ঞানবিষয়ক বই, মুভি ও গেমস এনে দিতেন। দেশের শিক্ষকদের পাশাপাশি বিদেশে ব্রিন মরের প্রফেসর এবং ইয়েলের ক্লডিয়া মেগান উরি ও ডার্টমাউথের রায়ান হিকক্সের সরাসরি সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি মনে করেন, শিক্ষার্থীর আগ্রহ শুনে, তাদের কনফারেন্সে পাঠিয়ে এবং উপযুক্ত মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সমর্থন দেওয়ার সংস্কৃতি বাংলাদেশে এখনও গড়ে ওঠেনি।
পিএইচডি সুপারভাইজার অধ্যাপক ক্লডিয়া মেগান উরি সম্পর্কে ড. অনন্যা বলেন, এত বড় পদে থেকেও তিনি অত্যন্ত নমনীয়। ছাত্রী বা বড় প্রফেসর—সবার সঙ্গে তিনি একই প্যাশন নিয়ে কথা বলেন। উনি তাঁর পাশে বসে পেপার লিখতে শিখিয়েছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। এমনকি পিএইচডি শেষ করার সাত বছর পরও ২০২৬ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লেনারি টকের প্রস্তুতিতে উনি দুই ঘণ্টা ধরে তাঁর প্র্যাকটিস দেখেছেন।
২০২০ সালে সায়েন্স নিউজের বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ১০ তরুণ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পাওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন, পিএইচডি শেষ করার ঠিক পরে নিজের কাজের গুরুত্ব নিয়ে সংশয় ছিল, কিন্তু সেই স্বীকৃতি তাঁকে সাহস ও আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।
২০১৯ সালে দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত তাঁর নেতৃত্বাধীন গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর মডেল তৈরি করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে ব্ল্যাকহোলের বৈশিষ্ট্য ও ছায়াপথের ওপর প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। সেই গবেষণায় ব্ল্যাকহোলের চারপাশ থেকে নির্গত আলোর পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করে ফোটন কণার হিসাবের মাধ্যমে সময়ের বিভিন্ন পর্যায়ে কতগুলো ব্ল্যাকহোল ছিল তা বের করা হয়েছিল। পরবর্তী কাজগুলোতে তাঁরা ব্ল্যাকহোলের পদার্থ গ্রাসের হার ও ভরের পরিমাপ নিয়ে আরও গভীরে গিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরির তথ্য ব্যবহার করে অত্যন্ত ক্ষীণ ব্ল্যাকহোলের সমষ্টি, লিটল রেড ডটস নামক নতুন মহাজাগতিক ঘটনা এবং আগের গবেষণাগুলো এগিয়ে নিয়ে কাজ করছেন।
ব্ল্যাকহোল নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হিসেবে তিনি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল ও তাদের মাতৃ-গ্যালাক্সির সহবিবর্তনকে চিহ্নিত করেছেন। স্যাজিটেরিয়াস এ* প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রের সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল, যা বর্তমানে সুপ্ত অবস্থায় আছে, কিন্তু অতীতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। এর আশপাশের তারা ও গ্যাস ক্লাউডের নিখুঁত ম্যাপিং চলছে এবং কখন এটি আবার সক্রিয় হবে তা নিয়ে গবেষণা চলছে।
গবেষণার সবচেয়ে চমকপ্রদ ফলাফল হিসেবে তিনি জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের আবিষ্কৃত লিটল রেড ডটসের কথা উল্লেখ করেন। এগুলো অত্যন্ত ভারী বস্তু, তাই এদের ব্ল্যাকহোল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, কিন্তু সাধারণ ব্ল্যাকহোলের মতো এরা এক্স-রে নির্গমন করে না। এক্স-রে তরঙ্গে পর্যবেক্ষণে এই ফলাফল পুরো গবেষণা দলকে চমকে দিয়েছে।
অ্যাকটিভ গ্যালাকটিক নিউক্লিয়াস নিয়ে গবেষণা মহাবিশ্বের প্রথম দিককার ব্ল্যাকহোলগুলোর উৎপত্তি এবং এপক অব রিআয়নাইজেশন বোঝার জন্য অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন। আদিম যুগের অ্যাকটিভ গ্যালাকটিক নিউক্লিয়াসগুলোর ভর ও উজ্জ্বলতা মেপে আদি বীজের মডেলগুলোকে সংকুচিত করা যাবে।
দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নালে তাঁর গবেষণাপত্রটি বছরের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া গবেষণাপত্র হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় তিনি বলেন, কোন কাজ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে তা আগে থেকে বোঝা যায় না। তাঁর মতে, এমন বিষয় বেছে নেওয়া উচিত যা সত্যি আনন্দ দেয় এবং এমন পদ্ধতি তৈরি করা দরকার যা মনকে ধরে রাখতে পারে।
তাঁদের নতুন আবিষ্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্ল্যাকহোলের পদার্থ গ্রাসের হারই নির্ধারণ করে তার চারপাশে কতটা পদার্থ জমা হবে, যা আগের ধারণার চেয়ে ভিন্ন। অতীতে মনে করা হতো নির্গত আলোর পরিমাণ এটা নিয়ন্ত্রণ করে। এই আবিষ্কারের ফলে প্রচলিত তাত্ত্বিক মডেলগুলোকে নতুন করে সংশোধন করতে হবে।
আগামী ১০ বছর ব্ল্যাকহোল গবেষণার স্বর্ণযুগ হবে বলে মনে করেন তিনি। ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ এবং ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরির মতো প্রকল্পগুলো বিপুল পরিমাণ ডেটা সরবরাহ করবে, যা থেকে লাখ লাখ সক্রিয় ব্ল্যাকহোলের পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে।
মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় অমীমাংসিত রহস্য সম্পর্কে তিনি প্রথম নক্ষত্র ও প্রথম ব্ল্যাকহোল কীভাবে গঠিত হলো, পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কি না এবং বাসযোগ্য গ্রহ খুঁজে পাওয়া যাবে কি না—এসব বিষয়কে উল্লেখ করেন। গবেষণার বিষয়গুলো তাঁর মাথায় সারাক্ষণ ঘোরে এবং গভীর মনোযোগের সময় সেসব নিয়ে স্বপ্নও দেখেন।
তিনি ইয়েলের প্রিয়া নটরাজন, স্মিথসোনিয়ানের আকোশ বগদান, মায়ামির নিকু ক্যাপেলুতি, চিলির এজেকিয়েল ত্রাইস্তারসহ অনেক বিজ্ঞানীর সঙ্গে কাজ করেছেন, যাঁরা অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ও সাহায্যপরায়ণ।
বাংলাদেশের তরুণদের জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানে আগ্রহ বাড়াতে উপযুক্ত অবকাঠামো ও আন্তর্জাতিক প্রকল্পে অংশীদারত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানী হিসেবে তিনি আল-খাওয়ারিজমি, সিসিলিয়া পেইন গাপোশকিন, অ্যানি জাম্প ক্যানন, জেসিলিন বেল বার্নেল, ভেরা রুবিনের মতো কম মূল্যায়িত বিজ্ঞানীদের কথা স্মরণ করেন। রিচার্ড ফাইনম্যানের 'শিউরলি ইউ আর জোকিং, মিস্টার ফাইনম্যান!' বইটি পড়ার পরামর্শ দেন।
থিওরি অব এভরিথিং আবিষ্কার সম্ভব কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্ট্রিং থিওরির মতো তত্ত্বগুলো পরীক্ষা করা প্রায় অসম্ভব, তাই ভবিষ্যতে পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা তাত্ত্বিক কাঠামোর সমপর্যায়ে পৌঁছালে হয়তো সম্ভব হবে, তবে আরও সময় লাগবে।
জ্ঞানবিজ্ঞানচর্চার গন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০১২ সালে হিগস বোসন আবিষ্কারের সময় তিনি সার্নে ছিলেন। তখন বাংলাদেশে অনেকেই প্রশ্ন করেছিলেন এর বাস্তব জীবনে কী লাভ। তিনি মাইকেল ফ্যারাডের উদাহরণ টেনে বলেন, বিদ্যুৎ-চুম্বকীয় ইন্ডাকশন আবিষ্কারের সময় তিনি এয়ারকন্ডিশনারের কথা ভাবেননি, কিন্তু আজ আমাদের জীবনযাত্রা সেই বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। প্রকৃতি কীভাবে কাজ করে তা বোঝার চেষ্টাই বিজ্ঞানচর্চার মূল চালিকাশক্তি।
বিজ্ঞানের বাইরেও তিনি প্রচুর ফিকশন পড়েন। 'হুইল অব টাইম', 'কিং কিলার ক্রনিকলস' সিরিজ, ড্যাফনি ডু মরিয়ার ও রোয়াল্ড ডাহলের ছোটগল্প তাঁর প্রিয়। প্রতি বছর 'লর্ড অব দ্য রিংস' দেখেন তিনি। সবার পড়ার জন্য তিনি তা-নেহিসি কোটসের 'দ্য মেসেজ' বইটির পরামর্শ দিয়েছেন, যা নিপীড়নের চিত্র এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ঘটনার ঐতিহাসিক সারসংক্ষেপ তুলে ধরে।
ভবিষ্যতে যাঁরা বিজ্ঞানী হতে চান, তাঁদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অঙ্ক ও কোডিং প্র্যাকটিস করতে হবে এবং নিজের আগ্রহের বিষয়ের বাইরেও অনেক কিছু পড়তে হবে। এআইকে শিক্ষার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন, হোমওয়ার্ক করিয়ে নেওয়ার জন্য নয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, তাঁর প্রথম পিএইচডি স্টুডেন্টই একজন বাংলাদেশি। আগ্রহী ও দক্ষ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেন তিনি।
শেষে তরুণ পাঠকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এমন কিছু করার চেষ্টা করতে হবে যা গভীরভাবে টানে এবং যার প্রচুর ট্রান্সফারেবল স্কিল আছে। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্তানের সিদ্ধান্ত সমাজ হয়তো বুঝবে না, কিন্তু পরিবারের সমর্থন একজন মানুষকে অনেক দূর এগিয়ে নিতে পারে। নিজের বন্ধুদের সার্কেলটি শ্রদ্ধাশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ রাখারও পরামর্শ দেন তিনি।




