বিলাসবহুল আকাশযাত্রার ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে এমিরেটস। ২০২৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে সংস্থাটির ফ্লাইটে যাত্রীদের হাতে পৌঁছেছে ৬ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি প্রিমিয়াম চকলেট। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা প্রায় ৪০ লাখ বেড়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করেছে।

শুধু চকলেটই নয়, এমিরেটসের ফ্লাইট নেটওয়ার্কে প্রতি বছর প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ চকলেটভিত্তিক ডেজার্ট পরিবেশন করা হয়। ইকোনমি, প্রিমিয়াম ইকোনমি, বিজনেস ও ফার্স্ট ক্লাস—সব শ্রেণির যাত্রীদের জন্যই রয়েছে বিশেষভাবে প্রস্তুত নানা ধরনের চকলেট ডেজার্ট। এ জন্য বার্ষিক প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার কেজি প্রিমিয়াম চকলেট ও অতিরিক্ত ২ লাখ ৬০ হাজার কেজি চকলেট উপাদান ব্যবহৃত হয়।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চকলেট প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে এমিরেটস। দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে সংগৃহীত কোকো ব্যবহার করে এই চকলেট তৈরি করা হয়। পণ্যের উচ্চমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্বশীল সংগ্রহ ও টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়ায়ও গুরুত্ব দেয়া হয় বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনটি।

সংস্থাটির ২৫০ জনের বেশি পেস্ট্রি ও বেকারি শেফের একটি দল প্রতি বছর ১২০টির বেশি ধরনের চকলেট ডেজার্ট তৈরি করেন। যাত্রীদের পছন্দের ভিত্তিতে নিয়মিত নতুন আইটেম যুক্ত করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ডার্ক চকলেট ও সল্টেড ক্যারামেল ফ্লেভারের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

চকলেটের এই অভিজ্ঞতা শুরু হয় ফ্লাইটে ওঠার আগেই। ফার্স্ট ও বিজনেস ক্লাস লাউঞ্জে যাত্রীদের জন্য প্রিমিয়াম চকলেট, ডেজার্ট ও কনফেকশনারির বিশেষ আয়োজন থাকে। আর ফ্লাইটে প্রতিটি কেবিনের জন্য আলাদা মেনু থাকায় সব শ্রেণির যাত্রীরাই ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতা লাভ করেন।

যাত্রীদের জন্য নতুন স্বাদের সন্ধানে নিয়মিত বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম চকলেট পরিবেশন করে এমিরেটস। এর মাধ্যমে আকাশযাত্রাকে শুধু গন্তব্যে পৌঁছানোর মাধ্যম নয়, বরং একটি স্মরণীয় গ্যাস্ট্রোনমিক অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে চায় এয়ারলাইনটি।