কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় মেরিন ড্রাইভ সড়কের একটি অংশে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দরিয়ানগর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনায় এক পর্যটকসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাহাড় থেকে ধসে আসা মাটি ও গাছপালা সড়ক দিয়ে চলাচল করা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ওপর আছড়ে পড়ে। ওই অটোরিকশায় থাকা ছয় আরোহী আহত হন, যাদের মধ্যে একজন কক্সবাজার ভ্রমণে এসেছিলেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী। পাহাড়ধসের কারণে মেরিন ড্রাইভে প্রায় আড়াই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। সেনাবাহিনীর সদস্যরা খননযন্ত্র দিয়ে সড়ক থেকে মাটি ও গাছপালা সরিয়ে সড়কটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, মেরিন ড্রাইভের পূর্ব পাশে ৮০ থেকে ৯০ ফুট উঁচু একটি পাহাড়ের অংশ গাছসহ ধসে পড়েছে। এ সময় সড়কের দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা থাকতে দেখা যায়, যার অধিকাংশ যাত্রীই পর্যটক। দরিয়ানগরের বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী মমতাজ আলম জানান, পাহাড়ধসের সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা হিমছড়ির দিকে যাচ্ছিল। ধসে পড়া মাটির কিছু অংশ সেই ইজিবাইকের ওপর পড়ে। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের মোট দৈর্ঘ্য ৮৪ কিলোমিটার, যার পূর্ব পাশে পাহাড় এবং পশ্চিম পাশে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত। গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়, যা বুধবার সকালেও অব্যাহত ছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুল হান্নান জানান, বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ১২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভারী বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটতে পারে।
কক্সবাজারে পাহাড়ধসে পর্যটকসহ আহত ৬, মেরিন ড্রাইভে যান চলাচল বন্ধ
কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ সড়কে পাহাড়ধসের ঘটনায় এক পর্যটকসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। ভারী বৃষ্টির কারণে সকালে দরিয়ানগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সেনাবাহিনী মাটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।


