ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার সম্প্রতি এক মন্তব্যে জানিয়েছেন, বর্তমান মুদ্রাস্ফীতি পরিস্থিতি মোকাবিলায় 'গত যুদ্ধে লড়াই' করার কোনো মানে হয় না। তাঁর মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অতীতের মুদ্রানীতি নিয়ে আটকে না থেকে বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে পদক্ষেপ নিতে হবে। ওয়ালার আরও উল্লেখ করেন, শুল্কের কারণে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি—যাকে প্রায়শই মুদ্রাস্ফীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে দেখানো হয়—তা এখন অনেকটাই পেছনে ফেলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি অন্যান্য খাতেও ছড়িয়ে পড়েছে, যা উদ্বেগের কারণ। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি মূল্যস্ফীতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় না নামে, তবে ভবিষ্যতে সুদহার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ওয়ালারের এই বক্তব্য অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। তার মন্তব্যে ফেডের ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণে একটি সতর্ক কিন্তু নমনীয় অবস্থানের ইঙ্গিত মিলছে। অনেকেই মনে করছেন, ফেড চাইলেই এখনই সুদহার কমানোর পথে হাঁটবে না; বরং তথ্য-উপাত্ত পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেবে। ওয়ালারের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ‘অতীতের যুদ্ধ’ মানে পুরোনো নীতি কাঠামোয় ফিরে যাওয়া অর্থহীন হবে। এর পরিবর্তে বর্তমান মুদ্রাস্ফীতির গতি ও বিস্তৃতি বুঝে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তার এই বক্তব্যকে ফেডের মধ্যে একটি অভ্যন্তরীণ বিতর্কের প্রতিফলন হিসেবেও দেখছেন পর্যবেক্ষকেরা। তবে ওয়ালার স্পষ্ট করেছেন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে সুদহার বৃদ্ধির মতো কঠোর পদক্ষেপ নিতেও দ্বিধা করবে না ফেড।
মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে পুরনো যুদ্ধে লড়াই না করার আহ্বান ওয়ালারের
ফেডারেল রিজার্ভ গভর্নর ক্রিস্টোফার ওয়ালার বলেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে পুরনো কৌশলে ফিরে যাওয়া উচিত নয়। তিনি শুল্ক-চালিত জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির বাইরেও মূল্যস্ফীতি বিস্তৃত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন।


