সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে 'দুটি এমএএইচএ-র গল্প' নামক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এমএএইচএ নীতি এবং এমএএইচএ আন্দোলনের প্রকৃত চাওয়ার মধ্যে বিস্তর ব্যবধান রয়েছে। আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হলো একটি গ্লাইফোসেট-মুক্ত জাতি প্রতিষ্ঠা করা। অন্যদিকে, প্রশাসনের নীতিগুলো এই লক্ষ্যটিকে সমর্থন করে না। এই অসামঞ্জস্যের কারণেই পুনরুজ্জীবিত কৃষি (রিজেনারেটিভ অ্যাগ্রিকালচার) উদ্যোগগুলো ব্যর্থতার সম্মুখীন। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, উদ্যোগগুলোর ব্যর্থতার প্রধান কারণ হলো তারা গ্লাইফোসেটের কারণে সৃষ্ট ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার না করা। গ্লাইফোসেট একটি বহুল ব্যবহৃত আগাছানাশক, যার স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। এই রাসায়নিকটির ক্ষতিকর দিকগুলোকে স্বীকৃতি না দিলে টেকসই কৃষিতে রূপান্তর সম্ভব নয়। এমএএইচএ আন্দোলনের অনুসারীরা স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও পরিবেশের জন্য গ্লাইফোসেটমুক্ত দেশ গড়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান নীতি সেই দাবির বিপরীত। এই দুই এমএএইচএ-র দ্বন্দ্ব কৃষি খাতের ভবিষ্যৎ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।