চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নিজের নাম, রসবোধ, আর্জেন্টিনা প্রেম ও নানা বিষয়ে মজার মন্তব্য করেছেন। তিনি এ সময় তার জীবনযাপন ও অভিনয়ের বাস্তব দিকও তুলে ধরেন।
পূর্ণিমা জানান, ছোটবেলা থেকে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখে তাঁর আর্জেন্টিনার প্রতি অনুরাগ তৈরি হয়েছে। ম্যারাডোনার গোল ও চারপাশের সবাই আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করায় তিনি আকৃষ্ট হন। বাসায় সবাই ম্যারাডোনার ভক্ত ছিলেন, সেটাও বড় কারণ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আর্জেন্টিনায় ম্যারাডোনা ও মেসি থাকায় তা ব্রাজিল থেকে আলাদা।
প্রসঙ্গক্রমে তিনি তাঁর স্বামীর আর্জেন্টিনা প্রেমের কথাও বলেন। স্বামী আর্জেন্টিনার জার্সি কিনে সবাইকে উপহার দেন এবং জোর করে পরান। এতে করে আগের চেয়ে আরও বেশি করে তিনি খেলা দেখেন ও জার্সি পরে থাকেন।
মেসিকে রান্না করে খাওয়ানোর প্রশ্নে পূর্ণিমা কৌতুক করে বলেন, আগে দেখা হওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মেসি কী পছন্দ করেন, সেটা জানা জরুরি। তিনি আরও বলেন, মেসিকে সামনে পেলে তিনি রান্না না করে দাঁড়িয়েই থাকতে পারেন।
নাম প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা বলেন, ‘পূর্ণিমা’ নামের পেছনে তেমন কোনো কারণ নেই। তিনি মেয়ে বলেই পূর্ণি-মা রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। ছেলে হলে হয়তো পূর্ণি-বাবা নাম হতো।
এবার রসবোধের বিষয়ে আসা যাক। পূর্ণিমার মতে, তিনি পুরোপুরি বুঝে জোকস বলেন। কোথায় সেন্স অব হিউমার আছে, তা তিনি আগেই ধরে ফেলেন। সেসব জায়গায়ই ঠাট্টা করেন। তাঁর ঠাট্টার বিশেষ মূল্য আছে বলে মনে করেন তিনি। কারণ একে তো মজা করছেন, তার ওপর তিনি নিজেই বলছেন—এতে দাম বেড়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, বাস্তব জীবনেও তিনি সব সময় অভিনয় করেন। মন খারাপ থাকলেও তা মানুষের কাছে প্রকাশ করেন না। বরং হাসিমুখে কথা বলেন। সেটাকেও তিনি ইতিবাচক অভিনয় হিসেবে দেখেন।
পূর্ণিমা তাঁর রসবোধের উৎস প্রসঙ্গে বন্ধু ফেরদৌস ও শিবলী মুহাম্মদের নাম উল্লেখ করেন। তাদের সঙ্গে গ্রুপে থাকার কারণে তিনি জোকস বলা শিখেছেন বলে জানান। এখন তিনি তাদের ছাড়িয়ে গেছেন মন্তব্য করে বলেন, গুরুরা বিদ্যা দিলেও নিজেরা তা ধরে রাখতে পারেননি।
ফেসবুক রিঅ্যাকশন নিয়ে তাঁর তীব্র ক্ষোভ। তিনি বলেন, ‘হাহাহা’ রিঅ্যাকশন অপশনটি অপ্রয়োজনীয়। মানুষ স্যাড পোস্টেও সেটা দিয়ে থাকেন। তিনি জাকারবার্গের সঙ্গে কথা বলতে চান এ বিষয়ে। আরও বলেন, সুযোগ থাকলে সব রিঅ্যাকশন বন্ধ করতেন।
নেত্রী হওয়ার ইচ্ছা নেই বলেও জানান পূর্ণিমা। কারণ তিনি নিজের চুল পছন্দ করেন, তা বাঁচিয়ে রাখতে চান।
নিজের সম্পর্কে গুজব শুনে হাসি পায় বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিশেষ করে বয়স নিয়ে গুজব শুনলে তিনি হেসে ফেলেন।



