যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর নতুন তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে দেশটির ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জুন মাসে এই হার ছিল ৩.৫ শতাংশ। অর্থাৎ বার্ষিক ব্যবধানে মূল্যস্ফীতির গতি কিছুটা কমেছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর বটে।

মাসিক হিসাবে হিসাব করলে, জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে মাত্র ০.১ শতাংশ। এই সামান্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে আবাসন খরচ। গৃহস্থালির ব্যয়ের একটি বিশাল অংশ জুড়ে থাকে ভাড়া, তাই ভাড়ার ক্ষেত্রে সামান্য পরিবর্তনও সামগ্রিক সূচককে উপরের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ভোক্তাদের জন্য সুখবর হলো, জুলাই মাসে খাদ্যের দাম খুব সামান্য বেড়েছে এবং এর গতি জুনের তুলনায় ধীর ছিল। অন্যদিকে, জ্বালানি খরচ কমেছে, যা পরিবারগুলোর ওপর থেকে আর্থিক চাপ কিছুটা হলেও কমিয়েছে।

খাদ্য ও জ্বালানি বাদ দিলে তথাকথিত কোর ইনফ্লেশন হার জুনে স্থির থাকার পর জুলাইয়ে ০.২ শতাংশ বেড়েছে। এই খাতের মধ্যে চিকিৎসা সেবা এবং বিমান ভাড়ার দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে গাড়ির বীমা খরচ কমেছে।

এদিকে, একাধিক সামাজিক সূচক ইঙ্গিত দিচ্ছে যে নাগরিকদের আর্থিক দুরবস্থা এখনো কাটেনি। একটি স্বাস্থ্য প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তরুণদের মধ্যে ৩৬ শতাংশই নিশ্চিত যে তারা এই অবস্থা থেকে বের হয়ে যাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিকদের সাহায্য করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তবে স্কুল ছুটির সময় শিশুদের খাওয়ানো নিয়ে অভিভাবকদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে এবং অনেক পরিবার এখন খাদ্য ব্যাংকের ওপর নির্ভর করছে। এমনকি স্কুলের ইউনিফর্ম কেনার খরচও অনেকের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক অভিভাবক মাইকেলা উইলসন প্রশ্ন তুলেছেন, কেন স্কুলগুলো সরাসরি ব্র্যান্ডেড ব্যাজ বিক্রি করে না, যা খরচ কমাতে সাহায্য করবে।