বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে মাদক ব্যবসা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এবং সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক শুক্রবার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, আগে আওয়ামী লীগের নেতারা যে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন, সেটি এখন বিএনপির কিছু নেতার হাতে চলে গেছে। কানকিরহাট বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে মোফাজ্জলের রহমান স্মৃতি মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে ফারুক সতর্ক করে বলেন, কেউ ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকলে প্রমাণ পাওয়ার পরই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি কোনো ছাড় দেবেন না বলেও জানান। ইতিমধ্যে যুবদলের দুই নেতাকে এ অপরাধে জেলে পাঠানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি, দলের নাম ব্যবহার করে যারা মাদক ব্যবসা করছে, তাদের সংশোধন না হলে থানায় সোপর্দ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন ফারুক।
একইসাথে তিনি এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কেটে রাস্তাঘাট ধ্বংসের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ফারুকের মতে, যে গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে দেড় টনের ট্রাক চলাচলের উপযোগী, সেখানে কিছু লোক ২০ টনের ভারী ট্রাক চালিয়ে রাস্তাগুলো ভেঙে ফেলছে। এই ধ্বংসযজ্ঞের ফলে এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা চরম বিপর্যস্ত হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ভোটের এখনও প্রায় সাড়ে চার বছর বাকি রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যদি দেশের জনগণের মন জয় করতে সক্ষম হন, তাহলে নির্বাচনে মানুষ বিএনপিকেই ভোট দেবে বলে তিনি আশাবাদী। ফারুক আরও দাবি করেন, বিএনপি কখনো জোর করে ভোটকেন্দ্র দখল করে ক্ষমতায় যাওয়ার রাজনীতি করে না; আওয়ামী লীগের মতো পন্থা তাদের নয়।



