জার্মান গোয়েন্দা সংস্থাগুলো গত বছর একটি বনাঞ্চলে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের ভাণ্ডার নিয়ে নতুন করে তদন্ত জোরদার করেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অস্ত্রগুলো মস্কোর পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ড পরিচালনার জন্যই গোপনে মজুত করা হয়েছিল বলে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।
তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বনের গভীরে লুকিয়ে রাখা বন্দুকগুলো সাধারণ কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ ছিল না। বরং এগুলোকে রাষ্ট্র-সমর্থিত গোপন অভিযানের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল বলে গোয়েন্দা মূল্যায়নে উঠে এসেছে।
এই অস্ত্রভাণ্ডারটি ঠিক কবে এবং কীভাবে আবিষ্কার হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিদেশি শক্তির—বিশেষ করে রাশিয়ার—সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখছে।
জার্মান কর্তৃপক্ষ এখনো এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি কোনো বিদেশি সরকারের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করেনি। তবুও গোয়েন্দারা বিশ্বাস করেন, অস্ত্রের প্রকৃতি ও মজুতের পদ্ধতি দেখে এটি কোনো ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়; বরং সংগঠিত ও পরিকল্পিত একটি প্রচেষ্টার অংশ।
এই তদন্তের অগ্রগতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজর কেড়েছে। কারণ যদি এই অস্ত্রভাণ্ডারের পেছনে সত্যিই মস্কোর হাত থাকে, তবে তা ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বর্তমানে প্রমাণ সংগ্রহ ও সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করতে কাজ অব্যাহত রেখেছে।



