ন্যাটো জোট সম্প্রতি ৪০ বিলিয়ন ডলারের একটি উচ্চাভিলাষী প্রতি-ড্রোন প্রতিরক্ষা কৌশল গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রধান কারণ হলো ইউক্রেনের সফল ড্রোন অভিযান, যা রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে অবস্থিত তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলাগুলো রাশিয়ার জ্বালানি খাতে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করছে এবং যুদ্ধের কৌশলগত চিত্রই বদলে দিচ্ছে। ড্রোনের এই ব্যাপক ব্যবহার ন্যাটোকে তাদের প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার পুনর্মূল্যায়নে বাধ্য করছে। জোটের সদস্যরা এখন ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ড্রোন স্ট্রাইকগুলো রুশ অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলছে, যার ফলে ন্যাটো তাদের বিনিয়োগের দিক পরিবর্তন করছে। এই নতুন পরিকল্পনার আওতায় উন্নত ডিটেকশন সিস্টেম, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার প্রযুক্তি এবং কাইনেটিক ইন্টারসেপ্টর কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, ইউক্রেনের ড্রোন প্লেবুক ন্যাটোর সামরিক কৌশলে এক বিরাট পরিবর্তন এনেছে এবং জোটকে অভিযোজিত হতে বাধ্য করছে।
ইউক্রেনের ড্রোন কৌশলে রুশ তেল শোধনাগারে তাণ্ডব, ন্যাটোর ৪০ বিলিয়ন ডলারের প্রতি-ড্রোন পরিকল্পনা
ইউক্রেনের গভীর ড্রোন হামলা রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। এর জবাবে ন্যাটো জোট ৪০ বিলিয়ন ডলারের একটি প্রতি-ড্রোন প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে, যা যুদ্ধের কৌশলগত গতিপথ পরিবর্তন করছে।




