কুমিল্লার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া চার আসামির মধ্যে দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) স্থানান্তর করা হয়েছে। সোমবার বিকেল তিনটার দিকে তাদের সেখানে আনা হয় বলে কেন্দ্রটির তত্ত্বাবধায়ক মো. এমরান খান নিশ্চিত করেছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ১৫ ও ১৬ বছর বয়সী এই দুই আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের কারাগারে না পাঠিয়ে বিশেষ শিশু কেন্দ্রে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এই মামলার বাকি দুই প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই মামলায় প্রধান আসামি সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনসহ মোট তিনজনকে প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে মো. সিয়াম নামের আরও একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে তাদের বয়স যাচাই করে আদালত এই পৃথক নির্দেশ প্রদান করেন।
মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকাতুর হয়েছেন অপ্রতিমের পরিবার। নিহত শিক্ষার্থী অপ্রতিম ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান এবং কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। গত শুক্রবার কুমিল্লার কোটবাড়ীর গন্ধমতী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতিম নিখোঁজ হন। নিখোঁজের পর ব্যাপক খোঁজাখুঁজির পর শনিবার দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গলে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।




