দেশজুড়ে গ্যাসের সরবরাহ আবারও হ্রাস পেয়েছে, যার মূল কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে প্রতিকূল আবহাওয়া। মহেশখালীতে অবস্থিত ভাসমান টার্মিনাল থেকে এলএনজি (LNG) পরিবহনে বিঘ্ন ঘটার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ দুই মাসের সংকটের পর গত ১৬ আগস্ট থেকে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছিল, তবে বর্তমান আবহাওয়ার কারণে সেই স্থিতিশীলতা আবারও নষ্ট হলো।
সরবরাহের পরিমাণ লক্ষ্য করলে দেখা যায়, গতকাল যেখানে ২৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছিল, আজ সন্ধ্যা নাগাদ তা কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে। সরবরাহ এই হারে কমে আসায় সাধারণ গ্রাহকদের বড় ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
বাংলাদেশের মোট গ্যাস চাহিদার একটি বড় অংশ অর্থাৎ প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ এলএনজি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। ফলে এলএনজি সরবরাহে সামান্য ঘাটতি তৈরি হলেই তা সামগ্রিক জ্বালানি খাতের ওপর প্রভাব ফেলে এবং দেশব্যাপী গ্যাসের তীব্র সংকট সৃষ্টি করে।




