আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য যারা আবেদন করেছেন, সেই আবেদনগুলো আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। দেশের সকল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে এই বিষয়ে বিশেষ নির্দেশিকা প্রদান করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বর সারাদেশে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রাপ্ত দাবি ও আপত্তিগুলো খতিয়ে দেখে ২৫ নভেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই চূড়ান্ত তালিকায় যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তারাই কেবল আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা তার আগে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে যারা চলতি বছরের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভোটার ডেটাবেজে নিবন্ধিত হবেন, তাদের নাম হালনাগাদ তালিকায় যুক্ত করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের পূর্ব পরিকল্পনা ছিল আগস্ট মাসেই ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে নভেম্বরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করা এবং সেপ্টেম্বরেই তফসিল ঘোষণা করা। তবে অনিবার্য কারণে ভোট পিছিয়ে যাওয়ায় পুনরায় ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। বর্তমানে দেশে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ৮৮ লাখে দাঁড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, আগামী বছরের ২১ জানুয়ারিতে প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপের ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপের ১৩ মে এবং পঞ্চম তথা শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মে। এই নির্বাচনগুলোর আনুষ্ঠানিক তফসিল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে।