আগামী বছর অনুষ্ঠেয় উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করেন, এই পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার মতো কোনো কারণ তারা এখন দেখছেন না। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো কারণ নেই। আপাতত আমরা কোনো কারণ দেখছি না। যদি না কোনো ন্যাচারাল (প্রাকৃতিক) সমস্যার...। কারণ, তাদের (পরীক্ষার্থীদের) মোটামুটি দেড় বছর আগেই আমরা সময়সূচি জানিয়েছি, সুতরাং তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে।' পরীক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
একই সংবাদ সম্মেলনে কারিগরি শিক্ষা ও শিল্প খাতের সংযোগে চীনের মডেল অনুসরণের ইচ্ছার কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে গত মে মাসে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছিলেন। তখন প্রকাশিত সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৬ জুন শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।
তবে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর এবং অভিভাবকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগের পরিকল্পনা থেকে সরে এসে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছরের ১৪ মার্চ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে।
সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল তিন দিনের চীন সফর করেছেন। সফরে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। তারা সেখানে কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে চীনের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন। সেই সফরের ফলাফল জানাতেই আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য দেন মাহদী আমিন ও মো. দাউদ মিয়া।



