আরঅ্যান্ডবি জগতের অন্যতম স্বীকৃত কণ্ঠশিল্পী টামিয়া সম্প্রতি তার সংগীতজীবনের তিন দশক পূর্ণ হওয়ার প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি কেবল নিজের অবস্থানই সুসংহত করেননি, বরং শোনা ও ভালোবাসার এক বিশাল শ্রোতাগোষ্ঠীও তৈরি করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার গানের প্রতি মানুষের ভালোবাসা এখনো অটুট, এবং স্পটিফাইয়ের মতো প্ল্যাটফর্মে তার সব গান মিলিয়ে স্ট্রিমের সংখ্যা এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে।
এই অর্জনকে তিনি কেবল নিজের একক প্রচেষ্টার ফল মনে করেন না। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার সংগীতের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ তাকে বিস্মিত করে। তিনি বলেন, “আমার গান যেন কালের সীমানা পেরিয়ে নতুন শ্রোতাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এটাই একজন শিল্পীর জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।” তার সাম্প্রতিক গান ‘ফরেভার অ্যান্ড আ ডে’ প্রকাশের পর থেকেই দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। গানটি তার আগের কাজগুলোর মতোই আবেগঘন ও নস্টালজিক অনুভূতি জাগিয়ে তোলে বলে অনেকে মনে করছেন।
টামিয়ার সংগীতজীবনের শুরুটা হয়েছিল নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি। প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের পর থেকেই তিনি সমালোচকদের প্রশংসা ও শ্রোতাদের ভালোবাসা পেয়েছেন। তার কণ্ঠের মাধুর্য এবং গানের কথার গভীরতা তাকে সমসাময়িক শিল্পীদের মধ্যে আলাদা স্থান দিয়েছে। এখনো তার পুরোনো গানগুলো নতুন শ্রোতারা খুঁজে পান এবং পছন্দ করেন। স্পটিফাইয়ের স্ট্রিমিং সংখ্যা তার প্রমাণ।
তিনি মনে করেন, তার সংগীতের স্থায়িত্বের মূল রহস্য হলো আন্তরিকতা। “আমি কখনো ট্রেন্ড অনুসরণ করে গান করিনি। সবসময় আমার মনের কথা, আমার অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি।” এই আন্তরিকতাই তাকে আজও প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে। ‘ফরেভার অ্যান্ড আ ডে’ গানটিও তেমনি এক অনুভূতির প্রকাশ, যা শ্রোতাদের হৃদয়ে গভীরভাবে দাগ কাটে।
তবে শুধু নতুন গান নয়, তার পুরোনো ক্যাটালগও নতুন প্রজন্মের কাছে ক্রমাগত জনপ্রিয় হচ্ছে। টামিয়া বলেন, “আমার গানের মধ্যে এমন কিছু সার্বজনীন আবেগ আছে যা যেকোনো সময়ের মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে।” এই কারণেই ৩০ বছর পরেও তার গান নতুন শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছে। ভবিষ্যৎ নিয়েও তিনি আশাবাদী, এবং সংগীতের প্রতি তার এই ভালোবাসা অব্যাহত রাখতে চান।




