মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার খুলতে যাচ্ছে একটি স্টার্টআপ। প্রতিষ্ঠানটি সুপারকন্ডাক্টিং মোটর প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্যাটেলাইটের জন্য উন্নত মোটর তৈরি করছে। এই প্রযুক্তি প্রচলিত মোটরের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর ও শক্তিসাশ্রয়ী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুপারকন্ডাক্টিং প্রযুক্তি মূলত নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বৈদ্যুতিক প্রতিরোধ শূন্যে নামিয়ে আনার ক্ষমতা রাখে। ফলে এই প্রযুক্তিতে চালিত মোটরগুলো খুব কম শক্তি খরচ করেই উচ্চ ক্ষমতা উৎপাদন করতে সক্ষম। স্যাটেলাইটের ক্ষেত্রে এই বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মহাকাশে জ্বালানি ও শক্তির যোগান সীমিত।

এদিকে একই সপ্তাহের প্রযুক্তি আলোচনায় পারমাণবিক ফিউশন নিয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির খবরও এসেছে। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে ফিউশন প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, যা শক্তির জগতে বিপ্লব ঘটাতে পারে। তবে এখনো পর্যন্ত এটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন থেকে অনেক দূরে।

আরেকটি বিষয় যা আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে তা হলো পারফরমেটিভ এআই। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কিছু প্রদর্শনী মূলত দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য করা হয়, কিন্তু বাস্তব কাজে সেগুলোর তেমন কার্যকারিতা নেই। এই ধারণাটি প্রযুক্তি মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

মহাকাশ খাতে সুপারকন্ডাক্টিং মোটরের ব্যবহার ভবিষ্যতে স্যাটেলাইট পরিচালনার খরচ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই প্রযুক্তি সফল হলে পৃথিবীর কক্ষপথে আরও দক্ষ ও টেকসই স্যাটেলাইট স্থাপন সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। স্টার্টআপটির কাজটি এখন প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা এটিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন।