ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে জ্যামাইকা কিংসম্যানের কাছে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স। ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করে ২০৬ রানের পাহাড় গড়েছিল মিরাজের দল, তবে ৫ উইকেটে জয়লাভ করে ফাইনালে পৌঁছে গেল জ্যামাইকা।
ম্যাচে গায়ানার হয়ে শিমরন হেটমায়ার এক বিধ্বংসী সেঞ্চুরি করেন। মাত্র ৪৫ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থেকে দলের বড় সংগ্রহের কারিগর হন তিনি। এটি চলতি টুর্নামেন্টে হেটমায়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তবে এই বড় রান ডিফেন্ড করতে পারেনি গায়ানা। জ্যামাইকার পক্ষে কিচি কার্টি ৫৬, মাজ সাদাকাত ৪১ এবং ক্রিক ম্যাকেঞ্জি ৩৪ রান করেন। সবশেষে রোভম্যান পাওয়েলের ১৭ বলে ৪০ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ২ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় জ্যামাইকা।
পুরো ম্যাচে বড় ধরণের ব্যর্থতা ছিল মেহেদী হাসান মিরাজের। তাকে বোলিংয়ে আনা হয় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই, যেখানে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। প্রথম ওভারেই মাজ সাদাকাতের ব্যাট থেকে দুটি ছক্কা ও একটি চার হজম করতে হয় তাকে, ফলে ১৮ রান চলে যায়। পাওয়ারপ্লে শেষে সপ্তম ওভারে মিরাজ ৮ রান দিলেও, স্পেলের শেষ দুই বলে সাইম আইয়ুবের দুটি ছক্কায় রান বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৪ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে কোনো উইকেট নিতে পারেননি মিরাজ।
ব্যাটিংয়েও সুযোগ পাননি মিরাজ। মোহাম্মদ নবীর বদলি হিসেবে প্রথমবার সিপিএলে খেলতে নেমে ৫ ম্যাচে তিনি ৯টি উইকেট নিয়েছেন, যার সবকটি এসেছে প্রথম তিনটি ম্যাচে। তবে প্লে-অফের লড়াইয়ে তিনি কার্যকর হতে পারেননি। ব্যাট হাতেও তাঁর পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক; ৪ ইনিংসে মাত্র ২১ রান করার পাশাপাশি তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ৪৮.৮৩, যা ৫০-এর নিচে। শেষ পর্যন্ত হেটমায়ারের সেঞ্চুরি বৃথা যেতে দেখে বিদায় নিলেন এই বাংলাদেশি তারকা।




