লিসবনের মাঠে অনুষ্ঠিত উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে ওয়েলসের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে পর্তুগাল। জোয়াও ফেলিক্সের একমাত্র গোলে এই জয় আসলেও, ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে তাকে মাঠ থেকে সরিয়ে গসালো রামোসকে নামানো নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ম্যাচের আগে জেসুস বলেছিলেন, এক-দুইটি গোল করলেই রোনালদোকে তুলে নেবেন, কিন্তু গোল হওয়ার আগেই মহাতারকাকে বদল করে ফেলেন তিনি।
ম্যাচ চলাকালীন রোনালদো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ নষ্ট করেছেন। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধের চতুর্থ মিনিটে সতীর্থের দেওয়া একটি সহজ ক্রস ফাঁকা জালে পাঠাতে ব্যর্থ হন তিনি। বলটি টোকা দিয়ে গোল করতে গিয়ে তা ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। পরবর্তীতে ব্রুনো ফার্নান্দসের পাস থেকে একটি দারুণ গোল করলেও ভিএআর (VAR) পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়।
ম্যাচ শেষে কোচ জর্জে জেসুস স্পষ্ট করেন যে, রোনালদোকে তুলে নেওয়া তার পূর্বপরিকল্পিত কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। বরং ম্যাচের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই তিনি এই পদক্ষেপ নেন। জেসুসের মতে, খেলার শেষ ২৫ মিনিটে প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকানোর জন্য তার একজন সতেজ খেলোয়াড় প্রয়োজন ছিল। তিনি স্বীকার করেন যে, বল নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে ভেতরে ঢোকার ক্ষেত্রে রোনালদোর চেয়ে গসালো রামোস পিছিয়ে থাকলেও, গসালো মাঠে নামলে দলের প্রথম রক্ষণ লাইনে প্রয়োজনীয় গতি আসবে।
উল্লেখ্য, বিশ্বকাপে পর্তুগালের পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই পূর্ণ ৯০ মিনিট খেলেছিলেন রোনালদো। তবে নতুন কোচের অধীনে প্রথম ম্যাচেই তাকে পুরো সময় মাঠে থাকার সুযোগ মেলেনি। সব মিলিয়ে দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন জেসুস।




