কেনেডি সেন্টার যে 'শত মিলিয়ন ডলার' হারাচ্ছে—এই দাবি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে ২০২৪ সালের রেকর্ড বলছে ভিন্ন কথা। দান এবং অনুদান হিসেবে হিসাব করার পর ওই বছর প্রতিষ্ঠানটির উদ্বৃত্ত ছিল কয়েক মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, যে অভিযোগ উঠেছে তা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না বলে মনে হচ্ছে। যদিও সেন্টার কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি, তবে আর্থিক নথিগুলো থেকে এই তথ্য জানা গেছে। সংস্থাটি তার বার্ষিক প্রতিবেদনে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, যা পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে দান-অনুদানের হিসাব যোগ করার পরে তাদের আয় ব্যয়ের চেয়ে বেশি ছিল। এই তথ্য প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সেন্টারের ভবিষ্যত আর্থিক পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি, তবে বর্তমান নথি অনুযায়ী তারা ক্ষতির মধ্যে নেই বলেই প্রতীয়মান হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের উদ্বৃত্তি সত্ত্বেও যদি প্রশাসনিক খরচ বেড়ে যায়, তবে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোর তথ্য বলছে, সেন্টার তার কার্যক্রম চালাতে সক্ষম হয়েছে।
কেনেডি সেন্টার কি 'শত মিলিয়ন ডলার' ক্ষতির সম্মুখীন? ২০২৪ সালের নথিতে উদ্বৃত্ত থাকার তথ্য
কেনেডি সেন্টারের আর্থিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৪ সালের নথি অনুযায়ী, দান ও অনুদান হিসাব করার পর প্রতিষ্ঠানটি লক্ষাধিক ডলার উদ্বৃত্ত দেখিয়েছে, যা ক্ষতির দাবির বিপরীত।




