শিল্পকারখানায় কর্মীদের হাতে-মুক্ত এআই নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে স্মার্ট গ্লাস। সম্প্রতি এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, প্রযুক্তিটি যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তবে উৎপাদন খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে সক্ষম। তবে শর্ত হলো, প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগে থেকেই ব্যবহারের স্পষ্ট নিয়ম নির্ধারণ করতে হবে।

স্মার্ট গ্লাসের মাধ্যমে কর্মীরা সরাসরি নিজের সামনে প্রয়োজনীয় তথ্য, ডেটা বা নির্দেশনা দেখতে পাবেন। ফলে হাত দিয়ে আলাদা কোনো ডিভাইস ধরার প্রয়োজন হবে না। এই সুবিধা বিশেষ করে জটিল যন্ত্রপাতি পরিচালনা, গুণগত মান পরীক্ষা বা নিরাপত্তাজনিত সতর্কতা পালনে সহায়ক হতে পারে। ফলে প্রশিক্ষণের সময় কমবে, ভুলের হারও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, প্রযুক্তিটি যেন কর্মীদের ওপর চাপ বা নজরদারির হাতিয়ার হয়ে না ওঠে। তাই কোন তথ্য দেখা যাবে, কীভাবে ব্যবহার করা হবে এবং গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে—এসব বিষয়ে আগে থেকেই নীতিমালা তৈরি করা জরুরি। নিয়ম না থাকলে প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলো ঝাপসা হয়ে যেতে পারে বলে মনে করেন তারা।

সর্বোপরি, স্মার্ট গ্লাস যদি সঠিক কাঠামোর মধ্যে আনা যায়, তবে কারখানার কর্মীদের জন্য এটি হতে পারে নিরাপদ ও কার্যকর একটি হাতিয়ার। ভবিষ্যতে উৎপাদন খাতে প্রযুক্তির এই প্রয়োগ আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।