ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনজন। চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সবার। রোববার সকালে পৃথক সময়ে তাঁদের মৃত্যু হয় বলে হাসপাতাল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

মৃতদের মধ্যে দুইজন হাজতি এবং একজন কয়েদি। হাজতি দুজনের মৃত্যুর মধ্যে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। প্রথমে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে মারা যান আবুল বাশার (৫৮)। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন কারারক্ষীরা। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কুটিয়া লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল বাশারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলা ছিল।

এর ঠিক ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর সকাল ৯টা ৫ মিনিটে মারা যান আব্দুল কাইয়ম (৬২)। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গোলাই পদাবাজার গ্রামের বাসিন্দা তিনি। তাঁকেও সকালে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁর নামে আটটি মামলা ছিল বলে জানা গেছে।

এদিকে কয়েদি শাহাদত হোসেন লিটন (৫২) গত ২৮ আগস্ট থেকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৫০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। আজ সকাল পৌনে ৯টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা এবং উত্তরা থানার হত্যা মামলায় তিনি বন্দী ছিলেন। তাঁর বাড়ি খুলনার দৌলতপুর থানার পাবলা গ্রামে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, তিনজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।