চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকায় একটি চায়ের দোকানে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে এক কিশোরের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌরসভার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়দের তৎপরতায় অভিযুক্ত যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
নিহত কিশোরের নাম এমদাদুল হক (১৭), সে নওদাবন্ডবিল গ্রামের রেজাউল হকের সন্তান। অন্যদিকে, গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তের নাম নাইস খন্দকার, যে ওই এলাকারই মজনু খন্দকারের ছেলে। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম জানান, ঘটনার রাতে এমদাদুল একটি চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন। সেখানে নাইস খন্দকারের সাথে কোনো এক তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাঁর কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। বিবাদের এক পর্যায়ে নাইস তাকে আক্রমণ করতে গেলে এমদাদুল দ্রুত সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে কিছুদূর যাওয়ার পর এমদাদুল পড়ে যান এবং সেই সুযোগে নাইস হাতের কাছে থাকা একটি লাঠি দিয়ে তাঁর মাথায় প্রচণ্ড জোরে আঘাত করেন।
আঘাতের ফলে এমদাদুলের মাথা গুরুতর রক্তাক্ত হয়ে যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলেও পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে মরদেহটি সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে স্থানান্তর করা হয়েছে। ওসি রাকিবুল ইসলাম আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত নাইস খন্দকারকে আসামি করে রাত ১২টার পর একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।




