বিলবোর্ডের হট আরঅ্যান্ডবি সংস চার্টে নতুন ইতিহাস গড়লেন ব্রুনো মার্স। তার জনপ্রিয় গান 'আই জাস্ট মাইট' টানা ৩১ সপ্তাহ ধরে তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখে এসজেডএ-র 'কিল বিল'-কে পেছনে ফেলে চার্টের ইতিহাসে চতুর্থ দীর্ঘতম শীর্ষস্থানধারী গানের তকমা পেয়েছে। এর আগে দুই গানই সমান ৩০ সপ্তাহ ধরে শীর্ষে ছিল, তবে এবার এক সপ্তাহ এগিয়ে গেল মার্সের গানটি। এখন এই গানটি এক সপ্তাহের মধ্যে এসজেডএ-র আরেকটি স্ম্যাশ হিট 'স্নুজ'-এর ৩২ সপ্তাহের রেকর্ড ছোঁয়ার পথে। আর মাত্র তিন সপ্তাহ শীর্ষে থাকতে পারলে লিওন থমাসের 'মাট' গানের ৩৪ সপ্তাহের রেকর্ডও স্পর্শ করবে তারা। তবে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় শীর্ষে থাকার রেকর্ডটি এখনও দি উইকেন্ডের 'ব্লাইন্ডিং লাইটস'-এর দখলে, যেটি ২০২০ সালে শুরু হয়ে ৪৮ সপ্তাহ ধরে প্রথম স্থানে ছিল।
২০২৭ সালের গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে শীর্ষে থাকবেন ব্রুনো মার্স, এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। ডিসেম্বর মাসে মনোনয়নের তালিকা ঘোষণার কথা থাকলেও অ্যালবাম অফ দ্য ইয়ার ক্যাটাগরিতে তার নতুন অ্যালবাম 'দ্য রোমান্টিক'-এর জায়গা পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। সেই অ্যালবামের প্রথম সিঙ্গেল 'আই জাস্ট মাইট' রেকর্ড অফ দ্য ইয়ার ও সং অফ দ্য ইয়ার উভয় বিভাগেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। গানটি পপ বিভাগে জমা দেবেন নাকি আরঅ্যান্ডবি বিভাগে, তা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে যেকোনো বিভাগেই এটি গুরুতর প্রতিদ্বন্দ্বী হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিলবোর্ডের অন্যান্য চার্টেও এই গানের রাজত্ব অব্যাহত রয়েছে। হট আরঅ্যান্ডবি/হিপ-হপ সংস চার্টেও টানা ২৪ সপ্তাহ ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে 'আই জাস্ট মাইট'। এই তালিকায় এটি দ্বিতীয় দীর্ঘতম শীর্ষস্থানধারী গান হিসেবে স্থান করে নিয়েছে, সম্প্রতি কেন্ড্রিক লামারের 'নট লাইক আস'-কে (২২ সপ্তাহ) পেছনে ফেলেছে। তবে এই চার্টের সর্বকালের রেকর্ডটি এখনও কেন্ড্রিক লামার ও এসজেডএ-র 'লুথার' গানের দখলে, যেটি ৩১ সপ্তাহ শীর্ষে ছিল।
মুক্তির কয়েক মাস পরেও বর্তমানে ১২টি বিলবোর্ড চার্টে জায়গা করে নিয়েছে 'আই জাস্ট মাইট'। এর মধ্যে সাতটি চার্টের শীর্ষ দশে অবস্থান করছে গানটি, যা পপ এবং আরঅ্যান্ডবি উভয় বিভাগেই ছড়িয়ে রয়েছে। হট আরঅ্যান্ডবি সংস ও হট আরঅ্যান্ডবি/হিপ-হপ সংস চার্টে শীর্ষে থাকার পাশাপাশি রেডিও সংস, পপ এয়ারপ্লে, অ্যাডাল্ট কনটেম্পরারি, অ্যাডাল্ট পপ এয়ারপ্লে এবং আরঅ্যান্ডবি স্ট্রিমিং সংস তালিকার শীর্ষ পর্যায়েও জায়গা করে নিয়েছে গানটি। ২০২৬ সালের অন্যতম বড় হিট এবং মার্সের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফল গানগুলোর একটি হিসেবে এটি ইতিমধ্যেই স্বীকৃত।




