কৃষিব্যবসা ও উন্নয়ন শিক্ষা ইনস্টিটিউটের (আইএডিএস) আয়োজনে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এমবিএ ইন অ্যাগ্রিবিজনেস প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী আহ্বান করা হয়েছে। দুই বছর মেয়াদি এই কোর্সটি চারটি সেমিস্টারে বিভক্ত, যেখানে মোট ৬৪ ক্রেডিট সম্পন্ন করতে হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনের সুযোগ রয়েছে, যা চলবে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

যে সব শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন, তাদের যোগ্যতা নির্ধারণে কিছু শর্ত রয়েছে। স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি অনার্স ডিগ্রি থাকতে হবে — যেমন কৃষি, কৃষি অর্থনীতি, কৃষি প্রকৌশল, ভেটেরিনারি সায়েন্স, অ্যানিমেল হাজবেন্ড্রি, ফিশারিজ, ফুড টেকনোলজি, ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্ট এবং বায়ো-ইনফরম্যাটিকস ইঞ্জিনিয়ারিং। অথবা ব্যবসায় শিক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি বিবিএ বা অনার্স ডিগ্রি থাকলেও আবেদন করা যাবে। সেক্ষেত্রে বিবিএ, বিজনেস স্টাডিজ, ফাইন্যান্স, অ্যাকাউন্টিং, মার্কেটিং, ম্যানেজমেন্ট, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স, হিউমেন রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, ইকোনমিকস, এনভায়রনমেন্টাল ইকোনমিকস, জিওগ্রাফি, প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রকৌশল এবং পরিসংখ্যান — এই বিষয়গুলোর যেকোনো একটি ডিগ্রি থাকলেই চলবে।

এছাড়া গ্রেড পয়েন্টের ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৪.০০-এর মধ্যে কমপক্ষে ২.৫০, অথবা ৫.০০-এর মধ্যে ৩.৫০, অথবা অ্যানুয়াল পদ্ধতিতে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক।

আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ২০ আগস্ট ২০২৬ থেকে এবং শেষ হবে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬। এই সময়ের মধ্যে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করে ৫০০ টাকা আবেদন ফি জমা দিতে হবে। ফি পরিশোধের জন্য সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করা যাবে। সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট বা ই-ওয়ালেট, ভিসা, মাস্টার, নেক্সাস কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং (নগদ, বিকাশ, রকেট, উপায়, সেলফিন, ট্যাপ, ওয়ালেট, মেঘনা পে, টেলিক্যাশ, ইসলামিক ওয়ালেট) এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দেওয়া যাবে।

আবেদনের সময় কিছু নথি আপলোড করতে হবে। প্রতিটি নথি সর্বোচ্চ ২ এমবি সাইজের পিডিএফ ফরম্যাটে হতে হবে। একাধিক পৃষ্ঠার নথি একত্রিত করে একটি পিডিএফ ফাইলে রূপান্তর করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে স্নাতক পর্যায়ের সব মার্কশিট বা একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, মাইগ্রেশন সার্টিফিকেট (অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা প্রার্থীদের জন্য) এবং সাম্প্রতিক রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

চাকরিরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র বা অফিস আদেশ জমা দিতে হবে যে, অধ্যয়নের পুরো সময়কাল অর্থাৎ ২৪ মাসের ছুটি দেওয়া হবে। ভর্তির তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ছুটির চূড়ান্ত কাগজ শিক্ষাবিষয়ক শাখায় জমা না দিলে ভর্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।

আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ ও জমা ২০ আগস্ট থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬। পরীক্ষার ফলাফল পরে প্রকাশ করা হবে।